বাংলা নিউজ > ময়দান > ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রে জয়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় ফুটবলার বিদেশ বসু
নির্বাচনি প্রচারে বিদেশ বসু (ছবি: গুগল)
নির্বাচনি প্রচারে বিদেশ বসু (ছবি: গুগল)

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রে জয়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় ফুটবলার বিদেশ বসু

  • প্রাক্তন জাতীয় দলের এই ফুটবলার হতাশ করেননি নিজের দলের ক্যাপ্টেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ঠিক যেমন তিনি ফুটবলের জার্সি গায়ে বিপক্ষের ডিফেন্স ভাঙতেন, গোল করতেন, গোল করাতেন। নিজের দলের অধিনায়ককে খুশি করতেন, সতীর্থদের বাহবা পেতেন, সমর্থকেদর মুখে হাসি ফোটাতেন, ঠিক তেমনই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রে বিরোধিদের হারিয়ে নিজের দলের সকলের মুখে হাসি ফোটালেন।

বাংলার ময়দান বা বাংলার রাজনীতির আঙিনায় কান পাতলেই শোনা যায, বিদেশ বসুকে কতটা ভালবাসেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছোট থেকেই বিদেশ বসুর খেলায় ভক্ত ছিলেন দলনেত্রী। পরে বিদেশ বসুর ব্যবহারে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি নিজের সব রকমের খেলা সংক্রান্ত কাজের সঙ্গেই বিদেশ বসুকে যুক্ত রাখতেন। শুধু বিদেশ বসু নয় মানস ভট্টাচার্যকেও সঙ্গে রাখতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বিদেশ বসুর জন্য প্রথম থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনে একটা আলাদা জায়গা রয়েছে। সেকারণেই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রের টিকিট দিয়েছিলেন বিদেশ বসুকে। 

প্রাক্তন জাতীয় দলের এই ফুটবলার হতাশ করেননি নিজের দলের ক্যাপ্টেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ঠিক যেমন তিনি ফুটবলের জার্সি গায়ে বিপক্ষের ডিফেন্স ভাঙতেন, গোল করতেন, গোল করাতেন। নিজের দলের অধিনায়ককে খুশি করতেন, সতীর্থদের বাহবা পেতেন, সমর্থকেদর মুখে হাসি ফোটাতেন, ঠিক তেমনই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রে বিরোধিদের হারিয়ে নিজের দলের সকলের মুখে হাসি ফোটালেন।  

এর আগে সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে অনেক ম্যাচ জিতেছেন। তাঁর ক্যাবিনেটে একাধিক ট্রফি জয়ের স্মৃতিও রয়েছে। তবে ময়দানে পোড়খাওয়া হলেও রাজনীতির আঙিনায় একেবারেই নতুন ছিলেন বিদেশ বসু। কিন্তু সকলকে পাশে পেয়ে মোহনবাগানের প্রাক্তন এই উইঙ্গার এবারের নির্বাচনে বিজেপির প্রত্যুষ মন্ডলের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জয় পেলেন।

ভোটে সহজ পাওয়ার বিষয়ে বিদেশ বসু জানিয়েছেন, ‘ফুটবলাররা কিন্তু শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত অপেক্ষা করে। তবে এই ম্যাচ জিততে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়নি। তাছাড়া ভোটের আগে গোটা এলাকা ঘুরে এখানকার মানুষের মন জয় করেছিলাম। তাই দিদি ও এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য এত সহজে এই জয় এসেছে।’

তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘দিদি ভালবেসে আমাকে দলে জায়গা দিয়েছেন। এটাই আমার কাছে অনেক। তাছাড়া এই এলাকার মানুষের অনেক সমস্যা। তাই এখানে থেকে তাঁদের জন্য কাজ করতে চাই।’

তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিট পাওয়ার আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। যদিও নাম ঘোষণা হওয়ার পর শরীরের পরোয়া না করে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্রে থাকতে শুরু করেন। গত এক-দেড় মাসের পরিশ্রমের মূল্য পেলেন তিনি। এবার তাঁর মানুষের এই ভালবাসার প্রতিদান দেওয়ার সময়।

বন্ধ করুন