বাংলা নিউজ > ময়দান > চার মিনিটে দুগোল, রুদ্ধশ্বাস ম্যাঞ্চেস্টার ডার্বি জিতল ইউনাইটেড

চার মিনিটে দুগোল, রুদ্ধশ্বাস ম্যাঞ্চেস্টার ডার্বি জিতল ইউনাইটেড

ডার্বি জিতল ইউনাইটেড। ছবি টুইটার (AP)

প্রিমিয়র লিগে শেষবার ম্যাঞ্চেস। টার ডার্বি খেলা হয়েছিল গত বছরের ২ অক্টোবর। ইতিহাদে সেই ম্যাচে ইউনাইটেডকে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছিল সিটি। ৬-৩ গোলে হারতে হয়েছিল ইউনাইটেডকে।

শুভব্রত মুখার্জি: শনিবাসরীয় সন্ধ্যায় এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাঞ্চেস্টার ডার্বির সাক্ষী থাকল ফুটবল বিশ্ব। যেখানে ম্যাচের প্রতি মিনিটেই যেন ভরা ছিল রোমাঞ্চে। এখনও পাল্লা ভারি হল ম্যাঞ্চেস্টার সিটির তো কখনও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের। ম্যাচে এক গোলে পিছিয়েও যায় ইউনাইটেড। সেখান থেকে দুরন্ত কামব্যাক করে তাঁরা। মাত্র চার মিনিটেই দু-দুটো গোল করে ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয় ছিনিয়ে নিল এরিক টেন হ্যাগের ছেলেরা। চার মিনিটে দুই গোল করে সিটিকে হারাল ম্যাচে পিছিয়ে পড়া ইউনাইটেড।

অ্যালেজান্দ্রো গারনাচোর পাস থেকে মার্কাস রাশফোর্ড ইউনাইটেডের দ্বিতীয় গোল করে এক অনবদ্য জয় নিশ্চিত করেন। ভিআইপি গ্যালারিতে বসে চুইংগাম চিবোতে চিবোতে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনও যেন তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করলেন ইউনাইটেডের খেলা।

১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়া সিটির বিরুদ্ধে ৭৮-৮২ এই চার মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ইউনাইটেড ম্যাচ জিতে নিল ২-১ ব্যবধানে। ইউনাইটেডের হয়ে এদিন ম্যাচে সমতা ফেরান ব্রুনো ফার্নান্দেজ। উল্লেখ্য এদিন ৬০ মিনিটে সিটিকে গোল করে এগিয়ে দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের তারকা জ্যাক গ্রিলিশ। আর ম্যাচের শেষ দিকে গোল করে ইউনাইটেডের জয় নিশ্চিত করেন রাশফোর্ড। ইউনাইটেডের এই জয়ের ফলে প্রিমিয়র লিগে পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষ চারের লড়াই একেবারে জমে ক্ষীর হয়ে উঠেছে।

উল্লেখ্য প্রিমিয়র লিগে শেষবার ম্যাঞ্চেস। টার ডার্বি খেলা হয়েছিল গত বছরের ২ অক্টোবর। ইতিহাদে সেই ম্যাচে ইউনাইটেডকে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছিল সিটি। ৬-৩ গোলে হারতে হয়েছিল ইউনাইটেডকে। নতুন বছরে সেই হারের মধুর প্রতিশোধ নিল ইউনাইটেড। এই জয়ের ফলে ১৮ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত প্রিমিয়র লিগে পয়েন্ট তালিকায় ৩ নম্বরে রয়েছে ইউনাইটেড। সমান সংখ্যক ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রয়েছে সিটি। শীর্ষে রয়েছে আর্সেনাল। ১৭ ম্যাচে তাঁদের পয়েন্ট ৪৪।

এদিন প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের গোলমুখে কোনও শটই নিতে পারেনি সিটি। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৭ মিনিটে গুয়ার্দিওলা ফিল ফোডেনের বদলি হিসেবে নামান গ্রিলিশকে। এর ঠিক মিনিট দুই মিনিট পরেই ডানপ্রান্ত দিয়ে দারুণভাবে ঢুকে আসেন কেভিন ডি ব্রুইনা। তাঁর বাড়ানো বলেই গ্রিলিশ হেড করে গোলের মুখ খুলে দেন সিটির হয়ে। এরপর প্রতি আক্রমণে আসা ইউনাইটেডের মার্কাস রাশফোর্ডকে সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে সিটির রক্ষণভাগকে। ৭৮ মিনিটে কাসেমিরোর বাড়ানো বলে ফার্নান্দেজের করা গোলে সমতায় ফেরে ইউনাইটেড। প্রথমে রাশফোর্ডকে অফসাইড দেন সহকারী রেফারি। তবে রাশফোর্ড যেহেতু বল ধরেননি, অফসাইডটা বাতিল করেন রেফারি। ফলে বৈধতা পায় গোল। এর চার মিনিট পর রাশফোর্ড নিজেই গোল পান। যা ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়। অনবদ্য জয় পায় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড।

বন্ধ করুন