বাড়ি > ময়দান > 'ফ্লপ ক্রিকেটার একাদশে' জায়গা মনোজ তিওয়ারির, খচে লাল স্ত্রী সুস্মিতা
মনোজ ও সুস্মিতা
মনোজ ও সুস্মিতা

'ফ্লপ ক্রিকেটার একাদশে' জায়গা মনোজ তিওয়ারির, খচে লাল স্ত্রী সুস্মিতা

ইনস্টাগ্রামে মেজাজ হারালেন সুস্মিতা। 

বাংলার ক্রিকেট ইতিহাসে মনোজ তিওয়ারির নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে, এটা বলা বাহুল্য। এবছরও বাংলার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে যাওয়ার নেপখ্যে বড় ভূমিকা মনোজের। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের জাত চেনাতে ব্যর্থ হয়েছেন মনোজ। ভারতের জন্য মাত্র ১২টি ওডিআই ও তিনটি টি-২০ খেলেছেন বাংলার এই ক্রিকেটার। 

এক ক্রিকেট ফ্যান মনোজকে ফ্লপ ক্রিকেটার একাদশে রেখেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এরকম ট্রোলিং খুব একটা অপ্রচলিত নয়। বিশেষত এখন যখন ক্রিকেট বন্ধ, পুরনো দিনের স্মৃতিচারণায় ব্যস্ত সবাই। সেখানে অনেক সময়ই কিছু ক্রিকেটারদের নিয়ে মজা-ঠাট্টা চলে। সেরকমই এক ক্রিকেট ফ্যান মনোজকে ফ্লপ ক্রিকেটার একাদশে রেখেছিলেন। সাধারণত ক্রিকেটাররা এসব গায়ে মাখেন না। তাদের কথায় বলতে গেলে, ইট ইজ পার্ট অফ দ্য গেম। কিন্তু ক্রিকেটারদের ঘরণীরা অনেক সময় এই রকম ট্রোলিং সহ্য করতে পারেন না। 

স্ক্রিনশট
স্ক্রিনশট

সেই পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে মনোজের স্ত্রী রীতিমত গালিগালাজ করেন ইনস্টাগ্রামে। এমনকী আইপিএল ফ্রিকস নামের অ্যাকাউন্টের মালিককে তিনি বলেন গেট অ্যা লাইফ! একই পরিসংখ্যান আবার চেক করতে পরামর্শ দেন তিনি। পরে অবশ্য নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি প্রাইভেট করে দেন সুস্মিতা যাতে কেউ সেই বিতর্কিত পোস্টটি দেখতে না পান। 

ঘরোয়া ক্রিকেটে ২৭টি সেঞ্চুরি সহ ৮৯৬৫ রান করেছেন তিনি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটেও দাগ কেটেছেন মনোজ। দীর্ঘ দিন কেকেআরের হয়ে আইপিএলেও খেলেছেন মনোজ। ২০১২ সালে তিন বলে নয় রান করে ফাইনাল জিতিয়েছিলেন তিনি সিএসকের বিরুদ্ধে। মোট ৯৮টি আইপিএল ম্যাচ খেলেছেন তিনি। বর্তমানে অবশ্য কেরিয়ারের প্রায় সায়াহ্নে চলে এসেছেন তিনি। তবুও একের পর এক ম্যাচে বাংলার আশা ভরসা সেই মনোজ। 

 

বন্ধ করুন