বাংলা নিউজ > ময়দান > বিমানবন্দরে শুটার মনু ভাকেরকে চরম হেনস্থা,ক্রীড়ামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কাটল জটিলতা
মনু ভাকের
মনু ভাকের

বিমানবন্দরে শুটার মনু ভাকেরকে চরম হেনস্থা,ক্রীড়ামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কাটল জটিলতা

  • মনু ভাকের টুইট করে বলেন যে তাঁর কাছে যাবতীয় অনুমতিপত্র ছিল। তবুও যদি তাঁকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়, সেটা কার্যত দেশের মানুষই দেওয়া হল কারণ তাঁর যাবতীয় খরচ বহন করে ক্রীড়ামন্ত্রক।

দেশের অন্যতম সেরা ক্রীড়াবিদ তিনি। আসন্ন টোকিও অলিম্পিকে তিনি ভারতের অন্যতম মেডেলের সম্ভাবনা তিনি। আর দেশের সেই কৃতী সন্তানকেই চরম হেনস্থার শিকার হতে হল। দিল্লি বিমানবন্দরে হেনস্থার শিকার হলেন তরুণী শুটার মনু ভাকের।  মনু দিল্লি থেকে ভোপালের বিমান ধরতে গিয়েছিলেন। ভোপালের শুটিং অ্যাকাডেমিতে ট্রেনিং করবেন যুব অলিম্পিকে পদকজয়ী শুটার। লক্ষ্য অবশ্যই আসন্ন টোকিও অলিম্পিক। ফলে তার সঙ্গে ছিল শুটিংয়ের যাবতীয় সরঞ্জাম। সেখানেই বাধে বিপত্তি।

১৯ বছর বয়সী মনুর সঙ্গে অসহযোগিতা করেন এয়ার ইন্ডিয়ার কয়েকজন কর্মী। মনু টুইটারে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরণ রিজিজু এবং অসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীকে ট্যাগ করে ঘটনাটি জানান। তাঁর কাছে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের ডিরেক্টরেট জেনারেলের (ডিজিসিএ) অনুমতিপত্র ছিল। সেটা দাখিল করার পরেও বিমানবন্দরে তাঁকে আটকে রাখেন মনোজ গুপ্তা নামক এয়ার ইন্ডিয়ার এক কর্মী।

মনু প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ক্রীড়ামন্ত্রীকে ট্যাগ করে টুইট করেন। তাতে তিনি লেখেন 'ডিজিসিএ অনুমতিপত্র রয়েছে। তা সত্ত্বেও আমাকে এআই ৪৩৭ বিমানে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। মনোজ গুপ্তা নামের একএয়ার ইন্ডিয়ার কর্মী আমার ডিজিসিএ অনুমতিপত্র মানতে অস্বীকার করেছেন। আমার কাছে ১০,২০০ টাকা চেয়েছেন। আমাকে কি ঘুষ দিতে হবে?'

এখানেই থেমে থাকেননি মনু। তিনি টুইটে লেখেন 'মনোজ গুপ্তা অমানুষ। অত্যন্ত খারাপ আচরণ করেছেন। মনে হচ্ছে যেন আমি কোনও অপরাধী।কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।' মনু উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়ার ও দাবি তোলেন। পরে এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে ক্ষমাও চাওয়া হয়। টুইটে তারা লেখেন, ' মনু ভাকেরের কাছে দিল্লি এয়ারপোর্ট টিমের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নথি দেখতে চাওয়া হয়েছিল।কোনও রকম ঘুষ চাওয়া হয়নি।' প্রসঙ্গত ভারতের হয়ে ১০ মিটার এয়ার পিস্তল বিভাগে টোকিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করবেন মনু। মনুর সমর্থনে ঝুলন গোস্বামীও টুইট করেন 'এইরকম ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। তবে এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে আমার অভিজ্ঞতা ভাল। তারা ক্রীড়াবিদদের সম্মান দেয়।' বিমানে ওঠার অনুমতি পাওয়ার পর মনু কিরেন রিজিজুকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুইট ও করেন।

এরপর মনু ভাকের টুইট করে বলেন যে তাঁর কাছে যাবতীয় অনুমতিপত্র ছিল। তবুও যদি তাঁকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়, সেটা কার্যত দেশের মানুষই দেওয়া হল কারণ তাঁর যাবতীয় খরচ বহন করে ক্রীড়ামন্ত্রক। 

বন্ধ করুন