বাড়ি > ময়দান > তিন গোলে এগিয়েও ২ গোল হজম মোহনবাগানের, জিতলেও একাধিক চিন্তা থাকছে ভিকুনার
জয় এলে চিন্তা থাকবে বাগানের (ছবি সৌজন্য টুইটার @ILeagueOfficial
জয় এলে চিন্তা থাকবে বাগানের (ছবি সৌজন্য টুইটার @ILeagueOfficial

তিন গোলে এগিয়েও ২ গোল হজম মোহনবাগানের, জিতলেও একাধিক চিন্তা থাকছে ভিকুনার

মিশন চেন্নাই সফল হলেও একাধিক বিষয় চিন্তায় রাখবে বাগান কোচকে। বিশেষত প্রতি ম্যাচে এগিয়ে গিয়েও গোল হজমের প্রবণতা বাগান কোচের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে।

লিগ টেবিলের নিচের দিকে দলের সঙ্গে জিততে গিয়ে রীতিমতো কাঁপুনি ধরে গেল মোহনবাগানের। তাই অ্যাওয়ে ম্যাচে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে জয় এলেও একাধিক বিষয় নিয়ে বোর্ডের সামনে বসতে হবে বাগান কোচ কিবু ভিকুনাকে।

অথচ প্রথম ৫০ মিনিটেই তিন গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান। ২৮ মিনিটে নিজের মার্কারকে পরাস্ত করে জোসেবা বেইতিয়ার কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে বাগানকে এগিয়ে দেন পাপা দিওয়ারা। চেন্নাই ঠিকভাবে গুছিয়ে ওঠার আগেই প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে দেন ফ্রান গঞ্জালেজ। এবারও গোলের মূলে ছিল বেইতিয়ার কর্নার।

দু'গোলে এগিয়ে গিয়েও আক্রমণ শানাতে থাকে বাগান। ৩৫ মিনিটে গোলের সুবর্ণ সুযোগ পায় বাগান। কিন্তু একা থাকা দিওয়ারাকে বল না বাড়িয়ে ভিপি সুহের নিজেই শট দেন। দিওয়ারাকে পাস দিলে বাগান নিশ্চিতভাবে তখনই তিন গোলে এগিয়ে যেত। এর কিছুক্ষণ পর তুর্সোনোভের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। প্রথমার্ধে শেষের দিকে চেন্নাই কিছুটা খেলার ফেরার চেষ্টা করে। ফিটোর শট বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় বাগান। ৪৯ মিনিটে চেন্নাইয়ের জালে বল জড়িয়ে দেন দিওয়ারা। তিনি গোল করলেও নাওরেমকে নির্দ্বিধায় এই গোলের কারিগর বলা যায়।

তিন গোলে পিছিয়ে যাওয়ার চেন্নাইয়ে আশা কার্যত সবাই ছেড়ে দিয়েছিল। তবে আশা ছাড়েননি বিজয়। ৬৫ মিনিটে ২৫ গজ থেকে তাঁর শট বাগান গোলে জড়িয়ে যায়। এরপর তেড়েফুঁড়ে ওঠে চেন্নাই। ৭০ মিনিটে জিষ্ণু বালাকৃষ্ণণের দূরপাল্লার শেখ সাহিলের গায়ে লেগে জালে জড়িয়ে যায়।

এরপর গোলের জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠে হোম টিম। শেষপর্যন্ত চাপ সামলে তিন পয়েন্ট নিয়েই ঘরে ফেরেন বাগান খেলোয়াড়রা। এই জয়ের ফলে ১০ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করল গঙ্গাপারের ক্লাব।

তবে মিশন চেন্নাই সফল হলেও একাধিক বিষয় চিন্তায় রাখবে বাগান কোচকে। বিশেষত প্রতি ম্যাচে এগিয়ে গিয়েও গোল হজমের প্রবণতা বাগান কোচের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলবে। বেইতিয়া প্রথম ৫৫-৬০ মিনিটে রীতিমতো মাঝমাঠ শাসন করছেন। কিন্তু তারপরই কিছুটা দমে যাচ্ছেন। আর ইঞ্জিনের গতি কমলে দলেরও গতি কমে যাওয়াটাও স্বাভাবিক। তাই পঞ্জাবের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে খুব একটা স্বস্তিতে থাকতে পারবেন না ভিকুনা।




বন্ধ করুন