বাড়ি > ময়দান > নিজের ক্যাপ্টেন্সি কেরিয়ারের অন্ধকার দিকের হদিশ দিলেন পন্টিং
মাঙ্কিগেট কাণ্ডের দুই কুশীলব। ছবি-এএফপি।
মাঙ্কিগেট কাণ্ডের দুই কুশীলব। ছবি-এএফপি।

নিজের ক্যাপ্টেন্সি কেরিয়ারের অন্ধকার দিকের হদিশ দিলেন পন্টিং

  • ২০০৫ অ্যাশেজ সিরিজে হার অত্যন্ত কঠিন ছিল ঠিকই, তবে তখন পরিস্থিতির উপর আমার নিয়ন্ত্রণ ছিল। মাঙ্কিগেটে যা ঘটেছে, তা ছিল আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

শুধু মাত্র ব্যাট-বলের উত্তেজক লড়াইয়ের জন্যই নয়, ২০০৭-০৮ মরশুমে টিম ইন্ডিয়ার অস্ট্রেলিয়া সফর ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে গেঁথে রয়েছে মাঙ্কিগেট বিতর্কের জন্য। দু'দলের একাধিক তারকা ক্রিকেটার যেভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন অবাঞ্ছিত বিতর্কে, তা সেই সময়ে দুদেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক তিক্ত করে তুলেছিল সন্দেহ নেই।

এক দশকেরও বেশি সময় কেটে গিয়েছে। তবু রিকি পন্টিংকে আজও বিচলিত করে কুখ্যাত মাঙ্কিগেট কাণ্ড। দীর্ঘ ১২ বছর পর নিজের অধিনায়ক জীবনের পর্যালোচনা করতে বসে পান্টার জানালেন, তাঁর ক্যাপ্টেন্সি কেরিয়ারের সব থেকে বড় ব্যার্থতা অবাঞ্চিত সেই বিতর্ক এড়িয়ে যেতে না পারা। যদিও প্রাক্তন অজি তারকা এও জানান যে, আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সাপোর্ট স্টাফ হিসেবে কাজ করার সময় সচিন তেন্ডুলকর, হরভজন সিং ও অনিল কুম্বলের সঙ্গে যাবতীয় তিক্ততা মিটিয়ে নিয়েছেন তিনি।

পন্টিংয়ের কথায়, 'ওটাই (মাঙ্কিগেট বিতর্ক) সম্ভবত আমার ক্যাপ্টেন্সি কেরিয়ারের সব থেকে বড় ব্যর্থতা। ২০০৫ অ্যাশেজ সিরিজে হার অত্যন্ত কঠিন ছিল ঠিকই, তবে তখন পরিস্থিতির উপর আমার নিয়ন্ত্রণ ছিল। মাঙ্কিগেটে যা ঘটেছে, তা ছিল আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।'

পান্টার আরও বলেন, 'মাঙ্কিগেট কাণ্ড আমাদের সকলের মাথা নীচু করে দেয়। আমরা পরের টেস্ট ম্যাচ যেভাবে খেলেছি, সেটা অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা পারথ টেস্টে ভারতকে হারাতে চেয়েছিলাম। উলটে আমরাই ম্যাচটা হেরে বসি। পরের কয়েকটা দিন আমাদের কাছে দূর্বিসহ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মাঙ্কিগেটের স্মৃতি সব থেকে খারাপ কারণ, ওই ঘটনার রেশ দীর্ঘদিন জিইয়ে ছিল।'

বন্ধ করুন