মা পরবেশ ও মেয়ে গার্সিয়ার সঙ্গে সুরেশ রায়না। ছবি- টুইটার।
মা পরবেশ ও মেয়ে গার্সিয়ার সঙ্গে সুরেশ রায়না। ছবি- টুইটার।

MothersDay2020: মাতৃ দিবসে সুরেশ রায়না হদিশ দিলেন তাঁর মায়ের সবথেকে গর্বের মুহূর্ত ছিল কোনটি

  • কই কুছ ট্রেন ভিচ খভায়ে তে খানা নহি। কিসে নাল লড়না নহি। তারকা ক্রিকেটারকে এভাবেই সতর্ক করেছিলেন তাঁর মা।

‘মা থাকলে, জীবনে সবকিছু রয়েছে আপনার।' মাতৃ দিবসে এমনটাই উপলব্ধি টিম ইন্ডিয়া তথা চেন্নাই সুপার কিংসের তারকা ক্রিকেটার সুরেশ রায়নার।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার ‘মাই মম’ মোমেন্টস-এ সুরেশ রায়না জানালেন তাঁর মা পরবেশ রায়না সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য। জানালেন, তিনি যখন লখনউয়ের স্পোর্টস কলেজে যেতেন ট্রেনে সওয়ারি হয়ে, তখন তাঁর মা কীভাবে দুশ্চিন্তা ব্যক্ত করতেন। এও জানান যে, তাঁকে নিয়ে মায়ের সবথেকে গর্বের মুহূর্ত কোনটি।

রায়না বলেন, '১৯৯৮ সালে স্পোর্টস কলেজে যাবার জন্য আমাকে স্লিপার ক্লাসের টিকিট কিনতে হয়েছিল। কারণ তখন অত টাকা ছিল না। মা দুশ্চিন্তায় ছিলেন আমাকে নিয়ে। তখন তো মোবাইল ফোনও ছিল না। মা আমাকে বলেন, পুত্তর, জড তু পঞ্চ জায়েঙ্গা তে ম্যাইনু ফোন করি। কই কুছ ট্রেন ভিচ খভায়ে তে খানা নহি। কিসে নাল লড়না নহি। ম্যায় ত্যাইনু টিফিন বনা কে দে রহি আ।'

অর্থাৎ, ‘পুত্র, ওখানে পৌঁছে আমাকে ফোন কোরো। ট্রেনে কেউ কিছু খাওয়ালে খেয়ো না। কারও সঙ্গে ঝগড়া কোরো না। আমি তোমাকে টিফিন বানিয়ে দিচ্ছি।’

রায়না বলেন, সেই থেকেই তিনি মাকে নিয়মিত চিঠি লিখতেন এবং অপেক্ষা করতেন মায়ের চিঠি পাওয়ার। রায়না আরও বলেন, তিনি একবার বন্ধুদের সঙ্গে মায়ের হল্যান্ড যাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। বিমানের কেবিন ক্রু'রা মাকে কেক কাটার অনুরোধ করে বলেন, আপনার ছেলে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। মা তখন কাঁদতে শুরু করেন। ওটা মায়ের কাছে বিশেষ মুহূর্ত ছিল। আমার কাছে এসে বলেন, 'পুত্তর, তেরা বড়া নাম হ্যায়।'

বন্ধ করুন