বাংলা নিউজ > ময়দান > দ্বিতীয় টিটি খেলোয়াড় হিসেবে পদ্মশ্রী, ‘ভাগ্যের দিশারী’ মেয়েকে উৎসর্গ মৌমার
মৌমা দাস। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)
মৌমা দাস। (ফাইল ছবি, সৌজন্য ফেসবুক)

দ্বিতীয় টিটি খেলোয়াড় হিসেবে পদ্মশ্রী, ‘ভাগ্যের দিশারী’ মেয়েকে উৎসর্গ মৌমার

  • পদ্মশ্রী পাওয়ায় আরও বাড়তি উদ্যম নিয়ে টেবিলে প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে অনুশীলন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন মৌমা।

সকাল ১১ টা নাগাদ কেন্দ্রের থেকে ফোন এসেছিল। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা না হওয়ায় কিছু জানাননি। পরে সরকারিভাবে পদ্মশ্রী প্রাপকের তালিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরে রীতিমতো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন টেবিল টেনিস তারকা মৌমা দাস। দেশের দ্বিতীয় টিটি খেলোয়াড় হিসেবে পদ্মশ্রী পাওয়ায় যেমন আপ্লুত তিনি, তেমন গর্বিতও।

মৌমা জানান, নিয়ম মোতাবেক পদ্ম-পুরস্কারের ফর্ম পূরণ করে পাঠিয়েছিলেন। তবে কল্পনাও করতে পারেননি যে প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের সন্ধ্যায় তাঁর জন্য এত বড় সুখবর অপেক্ষা করে আছে। সেই খবর পাওয়ার পর মৌমা জানান, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মা হয়েছেন তিনি। তারপর থেকে তাঁর জীবনে একাধিক সুখবর এসেছে। মাতৃত্বের পর মেয়েই আবারও বোর্ডে ফিরতে অনুপ্রাণিত করেছে। তাই ‘ভাগ্যের দিশারী’ মেয়েকেই পদ্মশ্রী উৎসর্গ করেছেন ৩৬ বছরের টিটি তারকা।

একইসঙ্গে বাবা, মা, কোচ, স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির পরিজনদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন মৌমা। ছোটোবেলায় দুষ্টুমিতে লাগাম দিতে যে মৌমাকে টেবিল টেনিসে ভরতি করেছিল কলকাতার দাস পরিবার। কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের হয়ে মেডেল জয়ী জানান, তাঁর বর্ণময় কেরিয়ারে পরিজন, কোচ - কারও অবদান ভোলার নয়। তাঁদের পাশে পেয়েই আজ এই শিখরে পৌঁছাতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন। যিনি ১৯৯৭ সালে আন্তর্জাতিক স্তরে টেবিল টেনিসের আঙিনায় প্রবেশ করেন। খেলেছেন ২০০৪ এবং ২০১৮ সালের অলিম্পিকে। একাধিকবার বিশ্ব টেবিল টেনিল চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০১৬ সালে মালয়েশিয়া যে ভারতীয় মহিলা দল সোনা জিতেছিল, সেই দলের সদস্য ছিলেন মৌমা। ২০১৩ সালে জিতেছেন অর্জুন পুরস্কারও।

এবার পদ্মশ্রী পাওয়ায় আরও বাড়তি উদ্যম নিয়ে টেবিলে প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে অনুশীলন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন মৌমা। তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাস মহামারীর পরে (২০১৯ সালের ডিসেম্বর) আর খেলার সুযোগ পায়নি। আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসা এবং দেশের হয়ে আরও পুরস্কার জয়ের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জোগাবে এই সম্মান।’

বন্ধ করুন