বাড়ি > ময়দান > আমের লোভেই CSK-র সতীর্থরা ধোনির হোটেল রুমে যাওয়ার জন্য উৎসুক থাকেন

জাতীয় দলের হয়েই হোক অথবা আইপিএল, উইকেট নেওয়ার পর ইমরান তাহিরের সেলিব্রেশন অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্রিকেটমহলে। একদা মহেন্দ্র সিং ধোনি জানিয়েছিলেন, কেন তিনি তাহির উইকেট নিলে সেলিব্রেশনে যোগ দেন না। মাহির দাবি, সারা মাঠ তাহিরের পিছনে দৌড়নো সম্ভব নয়। পরের বল করতে ক্রিজে ফিরতেই হবে প্রটিয়া স্পিনারকে। তখনই না হয় সেলিব্রেট করা যাবে।

এহেন তাহিরের সঙ্গে ধোনির ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো, ঠিক যেমনটা প্রতিটা সতীর্থর সঙ্গে মাহির আত্মার যোগ রয়েছে। তাহির জানালেন ধোনির সঙ্গে তাঁর প্রথম সাক্ষাতের ঘটনা। ফেসবুক লাইভে ধোনির প্রসঙ্গে কথা বলার সময় প্রোটিয়া স্পিনার ফাঁস করেন আরও একটি রহস্য।

তাহির বলেন, ‘ধোনিকে আগে টিভিতে দেখেছি। তবে তখনও পর্যন্ত কখনও মুখোমুখি সাক্ষাৎ হয়নি। প্রথমবার দেখা হয় পুণের হয়ে খেলার সময়। এমন লেজেন্ডের সঙ্গে পরিচয় করার সময় একটু নার্ভাস ছিলাম। তবে ধোনিই পরিবেশটা হালকা করে দেয়। হোটেলের রুমে ঢোকার মুখে ধোনি আমাকে দেখে এগিয়ে আসে। বলে, তাহির ভাই ওয়েলকাম। এটা আমার রুম। যখন খুশি তুমি আসতে পারো।’

তাহির পরক্ষণেই জানান, ‘ধোনির কথা শুনে মনেই হয়নি ও এতবড় ক্রিকেটার। আমার ভীষণ ভালো লেগেছিল। তারকা হওয়া সত্ত্বেও ধোনির পা সবসময় মাটিতেই থাকে। আমি তখন বলেছিলাম যে, অবশ্যই যাব তোমার ঘরে।’

ইমরান তাহির শেষে হদিশ দেন, কেন সতীর্থরা ধোনির ঘরে যাওয়ার জন্য উৎসুক থাকেন। কারণটা হল, ধোনি সবসময় আম নিয়ে আসেন নিজের রুমে। বিশ্বের সেরা সব আম খাওয়ার উদ্দেশ্যেই চেন্নাইয়ের সতীর্থরা ধোনির ঘরে হামেশাই যাওয়া-আসা করেন।

তাহিরের কথায়, ‘প্রথম সাক্ষাতের কথা তো জানালাম। তবে পরবর্তী সময়ে চেন্নাইয়ে থাকার সময় আমরা সবাই ধোনির ঘরে যেতাম মাঝে মধ্যেই। কারণ, ধোনি সারা বিশ্বের সেরা সব আম নিয়ে আসে। আমরা ওগুলো খেতে খুবই পছন্দ করি।’

উল্লেখ্য, সিএসকে যখন নির্বাসিত ছিল, সেই সময় ইমরান তাহির পুণের হয়ে প্রথমবার ধোনির আইপিএল সংসারে ঢুকে পড়েন। পরে চেন্নাইয়েও ধোনির অন্যতম সেনানিতে পরিণত হন তিনি।

বন্ধ করুন