বাড়ি > ময়দান > 'ধোনি কল করতেই চোখ বুজে দৌড়াই', মাহির উপর কতটা ভরসা করতেন, ভিডিয়ো দেখালেন বিরাট
মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং বিরাট কোহলি (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার)
মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং বিরাট কোহলি (ফাইল ছবি, সৌজন্য টুইটার)

'ধোনি কল করতেই চোখ বুজে দৌড়াই', মাহির উপর কতটা ভরসা করতেন, ভিডিয়ো দেখালেন বিরাট

  • বিরাট বলেন, ‘আমি ব্যাখ্যা করতে পারব না যে আমাদের মধ্যে কতটা পারস্পরিক ভরসা, শ্রদ্ধা এবং বোঝাপোড়া ছিল। তার থেকে ভালো আমি আজ এই দুটো ভিডিয়ো পোস্ট করছি।’

'যখনই দু'রানের কল এসেছে, তখনই চোখ বুজে দৌড়েয়েছি। আমি জানতাম, ওঁর অনুমান এতটাই ভালো যে আমি ঠিক পৌঁছে যাব'। বরাবরই মহেন্দ্র সিং ধোনির সম্পর্কে এই কথাটাই বলে এসেছেন বিরাট কোহলি। রবিবার আবারও বিরাট জানালেন, ক্রিজে তিনি ধোনিকে কতটা ভরসা করতেন।

রবিবার সন্ধ্যায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন বিরাট। তাতে দুটি ম্যাচ ছিল। শুরুতেই ছিল ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ। ১৮.৫ ওভারে মিড উইকেটে এক রান নেন কোহলি। দু'দলের স্কোর সমান হয়ে যায়। আর ম্যাচটি ভারতের মুঠোয় চলে এসেছিল কোহলির কারণেই। সেই সময়ে ৬৮ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। অর্থাৎ জেতার শট খেলার সুযোগ ছিল ধোনির কাছে। যিনি তখনও পর্যন্ত একটিও বল খেলেননি। রান নেওয়ার পর হয়তো সেজন্যই মুচকি হাসেন কোহলি। পালটা হাসেন ধোনিও। কিন্তু শেষ বলে রান নেনি তৎকালীন ভারতীয় অধিনায়ক। তাতে কিছুটা অসন্তুষ্ট হন কোহলি। ধোনি সামান্য মুখ নাড়িয়ে বোঝান, ‘তুমি শেষ কর ম্যাচ’। শেষপর্যন্ত চার মেরে ম্যাচ জেতান বর্তমান ভারত অধিনায়ক।

কাট টু দ্বিতীয় ম্যাচ। ২০১৬ সালের মোহালিতে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপ লিগের মরণবাঁচন ম্যাচ। কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে গেলে ভারতকে জিততেই হবে। সেই অবস্থায় রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই হোঁচট খেতে থাকে ধোনি ব্রিগেড। এই অবস্থায় ভারতের ইনিংসের হাল ধরেন কোহলি। কিছুক্ষণ পর ক্রিজে আসেন ধোনি। তখন জেতার জন্য ভারতের দরকার ছিল ছ'ওভারে ৬৭ রান। ১৮ তম ওভারে জেমস ফকনারের শেষ বলে মিড-অনে বল ঠেলে দু'রানের কল করেন ধোনি। তা অনায়াসে পূরণও করেন দু'জনে। কিন্তু ১০০ জনের ৯৯ জন খেলোয়াড় ওই জায়গায় বল গেলে দু'রান নিতেনই না। ধারাভাষ্যকাররাও বলতে থাকেন, ‘তোমরা এখানে দু'রান নিতেই পার না। কিচ্ছুতেই পার না।’

সেই ভিডিয়োর সঙ্গে বিরাট লেখেন, ‘এই মুহূর্তগুলির জন্য ধন্যবাদ ক্যাপ্টেন। আমি ব্যাখ্যা করতে পারব না যে আমাদের মধ্যে কতটা পারস্পরিক ভরসা, শ্রদ্ধা এবং বোঝাপোড়া ছিল। তার থেকে ভালো আমি আজ এই দুটো ভিডিয়ো পোস্ট করছি। প্রথমটা ভালোভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে, ও (ধোনি) কে। প্রচণ্ড চাপের মুহূর্তেও নিঃস্বার্থ। (দ্বিতীয় ভিডিয়োয়) ও আমায় কল করে এবং আমি মাথা নীচু করি (পড়ুন চোখ বুজে) এবং দৌড়াই। পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং বোঝাপড়া ভাগ্যের বিষয় নয়। এটা স্বাভাবিকভাবেই দু’জনের মধ্যে গড়ে ওঠে, যাঁরা এক যোগসূত্রে বাঁধা এবং একই লক্ষ্য থাকে। আমাদের জন্য লক্ষ্যটা ছিল, সবসময় ভারতকে জেতানো। স্মৃতিগুলির জন্য ধন্যবাদ ক্যাপ্টেন।'

বন্ধ করুন