বাংলা নিউজ > ময়দান > MS Dhoni's tactical brilliance: একটা চালেই ১৫ বছর আগে পাকিস্তানকে ঘোল খাইয়েছিলন ধোনি, কবে শিখবেন রোহিত-পন্তরা?
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের বল-আউট। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে টুইটার)

MS Dhoni's tactical brilliance: একটা চালেই ১৫ বছর আগে পাকিস্তানকে ঘোল খাইয়েছিলন ধোনি, কবে শিখবেন রোহিত-পন্তরা?

  • MS Dhoni's tactical brilliance: ২০০৭ সালের ‘টাইব্রেকের’ জন্য বল-আউট হয়। তাতে হরভজন সিং, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ এবং রবিন উত্থাপ্পাদের মতো বোলারদের দিয়ে বল করিয়ে বাজিমাত করেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাছাড়া আরও একটি কৌশলে পাকিস্তানকে কুপোকাত করেছিলেন।

ক্যালেন্ডারে পিছিয়ে যেতে হবে ঠিক ১৫ বছর। ২০০৭ সালে আজকের দিনেই মহেন্দ্র সিং ধোনির মগজাস্ত্রে যেভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছিল ভারত, তা স্মরণ করে নস্টালজিয়ায় ভেসে যাচ্ছেন নেটিজেনরা। ভাইরালও হয়ে গিয়েছে ধোনির একটি ছবি।

২০০৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগের প্রথম ব্যাট করে নয় উইকেটে ১৪১ রান তুলেছিল ভারত। সেই রান তাড়া করতে নেমে প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। সেখান থেকে পাকিস্তানের ইনিংস টানতে থাকেন মিসবাহ-উল-হক। পাকিস্তানকে প্রায় জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। দু'বলে এক রান বাকি ছিল। কিন্তু শেষ বলে এক রান নিতে গিয়ে রান-আউট হয়ে যান। তার ফলে ‘টাই’ হয়ে যায় ম্যাচ।

আরও পড়ুন: MS Dhoni and Rishabh Pant: 'ধোনি যদি থাকতেন..', চাপের মুখে পন্ত রান-আউট ফস্কানোয় ফিরল ২০১৬-র স্মৃতি

‘টাইব্রেকের’ জন্য বল-আউট হয়। যা একেবারেই নতুন ছিল। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ইয়াসির আরাফাত, উমর গুল, শাহিদ আফ্রিদিদের মতো নিয়মিত বোলারদের বেছে নিলেও ভারত বীরেন্দ্র সেহওয়াগ, রবিন উত্থাপ্পাদের মতো অনিয়মিত বোলার বেছে নিয়েছিল। তাতে বিশেষজ্ঞরা ভ্রূ কোঁচকালেও বাজিমাত করেছিলেন ধোনিরা। হরভজন সিং, সেহওয়াগ এবং উত্থাপ্পা - তিনজনেই উইকেট ভেঙে দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের কারও বল স্টাম্পে আছড়ে পড়েনি। তারপর ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল ধোনির অধিনায়কত্ব।

সেই ঘটনার ১৫ বছর পর আবারও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে ‘বল-আউটের’ ছবি। তাতে ধোনির কৌশলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন নেটিজেনরা। আফ্রিদিদের বোলিংয়ের সময় পাকিস্তানের উইকেটকিপার কামরান আকমল স্টাম্পের পিছনে দাঁড়িয়ে থাকলেও হরভজনদের বোলিংয়ের সময় স্টাম্পের পিছনে হাঁটু মুড়ে বসেছিলেন ধোনি। নেটিজেনদের বক্তব্য, 'ভারতের অধিনায়ক হিসেবে এটা ধোনির প্রথম ম্যাচ এবং ধোনির বুদ্ধি দেখুন। বল-আউটের সময় স্টাম্পের পিছনে হাঁটু মুড়ে বসে বোলারদের কাজটা সহজ করে দিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।'

ধোনি কী বলেছিলেন?

পরবর্তীতে একটি সাক্ষাৎকারে ধোনি বলেছিলেন, ‘যখনই আপনি কোনও টুর্নামেন্ট খেলতে যান, তখন দল হিসেবে আপনি সেই টুর্নামেন্ট জিততে চান। সেটা দীর্ঘকালীন লক্ষ্য থাকে। কিন্তু দিনের শেষে আপনি সেটাকে ছোটো-ছোটো ভাগে ভাগ করে নিতে হয়। ওই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ) বল-আউটের বিষয়টা ওরকম ছিল। তার আগে আমরা কখনও বল-আউট অনুশীলন করিনি। আমরা যখনই অনুশীলনে যেতাম, তখন অনুশীলন শুরুর আগে বল-আউট করতাম। সেটা ওয়ার্ম-আপের আগে বা পরে করা হত।’

আরও পড়ুন: SL took inspiration from CSK: ফাইনালে টসে হেরেও ভয় পায়নি শ্রীলঙ্কা, CSK-র IPL জয় থেকে মিলেছিল অনুপ্রেরণা

ধোনি আরও বলেছিলেন, ‘আমাদের ভাবনাটা ছিল যে টুর্নামেন্টে এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যখন বল-আউট হতে পারে। আমরা বলেছিলাম যে এটা মজার ছলে হচ্ছে। কিন্তু যারা উইকেটে বেশিবার বল মারতে পারছে, তাদের ম্যাচে ব্যবহার করা হবে। বোলার হলেই যে সেই সুযোগটা পাওয়া যাবে, এমন ছিল না। আমাদের কাছে বিষয়টা স্পষ্ট ছিল, আজ রোজ অনুশীলন করব। যাদের স্টাম্প ভেঙে দেওয়ার ফলাফল সবথেকে ভালো হবে, তাদের ব্যবহার করা হবে। আমরা সেভাবেই শুরু করেছিলাম।’

বন্ধ করুন