বাংলা নিউজ > ময়দান > মুরলিধরনের শুভেচ্ছার পরেই ঘোর বিপর্যয় নেমে আসে ভারতীয় প্রাক্তনীর কেরিয়ারে!
মুথাইয়া মুরলিধরন। ফাইল ছবি

মুরলিধরনের শুভেচ্ছার পরেই ঘোর বিপর্যয় নেমে আসে ভারতীয় প্রাক্তনীর কেরিয়ারে!

  • ১৯৯৭ সালে অভিষেক হওয়ার পরবর্তীতে ২০০১ সাল পর্যন্ত ভারতীয় দলের হয়ে খেলেন নীলেশ কুলকার্নি। এই সময়কালে তিনি তিনটি টেস্ট এবং ১০টি ওয়ানডে ম্যাচে খেলেন। কলম্বোর ওই টেস্টে শ্রীলঙ্কা দল রেকর্ড গড়ে ৬ উইকেটে ৯৫২ রান করেছিল।

শুভব্রত মুখার্জি: বিশ্ব ক্রিকেটের কিংবদন্তি ক্রিকেটার মুথাইয়া মুরলিধরন। তিনি যদি কোনও ক্রিকেটারকে শুভেচ্ছা বার্তা দেন তা যে কোনও ক্রিকেটারের কাছে চরম সৌভাগ্যের বিষয়। তবে প্রাক্তন ভারতীয় লেফট আর্ম স্পিনার নীলেশ কুলকার্নির ক্ষেত্রে বিষয়টা ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। ভারতের হয়ে শ্রীলঙ্কার মাটিতে নিজের টেস্ট অভিষেক হওয়ার পরে সেই ম্যাচেই প্রথম বলে উইকেট নিয়ে নজির গড়েছিলেন নীলেশ। তারপরেই দিন শেষে নয়া কৃতিত্ব অর্জন করার পরেই মুরলিধরন শুভেচ্ছা জানান নীলেশকে। আর তারপর ১৯৯৭ সালের সেই কলম্বো টেস্টে পরপর তিনদিন একটি ও উইকেট পাননি নীলেশ কুলকার্নি।

আরও পড়ুন: দ্রাবিড়কে ঢালাও প্রশংসা হার্দিকের, ঘুরিয়ে ঠেস শাস্ত্রীকে?

১৯৯৭ সালে অভিষেক হওয়ার পরবর্তীতে ২০০১ সাল পর্যন্ত ভারতীয় দলের হয়ে খেলেন নীলেশ কুলকার্নি। এই সময়কালে তিনি তিনটি টেস্ট এবং ১০টি ওয়ানডে ম্যাচে খেলেন। কলম্বোর ওই টেস্টে শ্রীলঙ্কা দল রেকর্ড গড়ে ৬ উইকেটে ৯৫২ রান করেছিল। ম্যাচে নিজের প্রথম বলেই মারভান আতাপাত্তুকে আউট করেছিলেন নীলেশ কুলকার্নি।

নীলেশ জানান 'মারভান এবং সনথ জয়সূর্য শুরু থেকেই দারুণ খেলছিল। আমাদের ওই সময় লক্ষ্য ছিল বেশ কিছু উইকেট তুলে নেওয়া। আমি সেই সময় বল করব আশা করিনি। রাজেশ চৌহানের শেষ ওভার বল করার কথা ছিল। তবে মারভান বেশ কিছু সিঙ্গেলস আগের ওভারে নেওয়াতে সচিন ডানহাতি ব্যাটারের বিরুদ্ধে বাঁহাতি স্পিনারকে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। আমি যখন আমার ফিল্ডিং পজিশন বদলাচ্ছিলাম তখন সচিন আমাকে ডেকে বল করতে বলেন।'

তিনি আরও যোগ করেন 'আমি যখন আম্পায়ারের হাতে আমার টুপি দিচ্ছিলাম সচিন আমাকে এসে বলে আমার হাতে দুই মিনিটেরও কম সময় রয়েছে প্রথম বলটি করার। শুধু এটাই ভাবছিলাম নিজেকে যেন আমি কোনওভাবে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে না ফেলি। সেদিন মারভান আক্রমণাত্মক মুডে খেলছিল। ও আমাকে কভার দিয়ে মারতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগে বল। ক্যাচ ধরতে নয়ন মোঙ্গিয়া কোনও ভুল করেননি। আমি তখন আমার কৃতিত্ব বা রেকর্ডটি সম্বন্ধে জানতাম না। দিন শেষে আমা কয়েকজন ব্যাটারকে নক ডাউন দিচ্ছিলাম যখন সাংবাদিকরা আমাকে এসে বিষয়টি জানায়। এরপর হোটেলে মুরলিধরনের সঙ্গে আমার দেখা হয়। আমার রেকর্ডের জন্য সে আমাকে শুভেচ্ছা জানায়। তার পরবর্তীতে তিনদিন আমি আর কোন উইকেট পাইনি।'

বন্ধ করুন