বাড়ি > ময়দান > মাঠের চাপ সামলানোর থেকেও বিয়ে নিয়ে পরিবারের চাপ সামলানো কঠিন, ইঙ্গিত রানির
খেলরত্নের স্বীকৃতি হাতে রানি রামপাল। ছবি- টুইটার।
খেলরত্নের স্বীকৃতি হাতে রানি রামপাল। ছবি- টুইটার।

মাঠের চাপ সামলানোর থেকেও বিয়ে নিয়ে পরিবারের চাপ সামলানো কঠিন, ইঙ্গিত রানির

  • ভারতের মহিলা হকি দলের ক্যাপ্টেন জানালেন, বাবা-মা'কে বোঝাতে পেরেছেন বলেই দেশের হয়ে এখনও লড়াই জারি রাখা সম্ভব হয়েছে তাঁর পক্ষে।

বেশিরভাগ ভারতীয় মহিলা অ্যাথলিটদের একটা সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে কখনও না কখনও। যে সমস্যাটার হদিশ দিলেন ভারতীয় মহিলা হকি দলের ক্যাপ্টেন রানি রামপাল। সদ্য খেলরত্ন জয়ী তারকা জানান, ভারতে মহিলা অ্যাথলিটরা যখনই দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান অথবা কোনও চাকরি পান, পরিবারের ধারণা তৈরি হয়ে যায় যে, তাঁদের বিয়ের এটার সঠিক সময়।

রানি আরও জানান, এক্ষেত্রে পরিবারের উপর চাপ তৈরির দায়িত্বটা নিজেদের কাঁধে তুলে নেন আত্মীয়রা। বাবা-মা'র কানের কাছে সারক্ষণ মেয়ের বিয়ে নিয়ে আলোচনা করে আত্মীয়রাই তাঁদের বাধ্য করেন মেয়েদের উপর চাপ তৈরি করতে।

এভাবে বহু মহিলা অ্যাথলিটকে কেরিয়ারের সেরা সময়ে বিয়ে করে খেলা থেকে দূরে সরে যেতে দেখেছেন রানি। তবে ১১ বছরের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের পরেও রানি নিজের লক্ষ্যকেই প্রাধান্য দিতে পেরেছেন নিজের পরিবারের ধারণা বদলাতে পেরেছেন বলেই। না হলে বছর দু'য়েক আগেও যখন টোকিও অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জনই ছিল রানির একমাত্র লক্ষ্য, ঠিক সেই সময় তাঁর উপর চাপ তৈরি হয়েছিল বিয়ের জন্য।

রানি বলেন, ‘আমি আমার পরিবারকে বোঝাতে পেরছি যে, বিয়েটাই আমার প্রধান লক্ষ্য নয়। একজন খেলোয়াড় হিসেবে এখন আমি যা কিছু অর্জন করতে পারি, পরে সেটা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এটা আমার পরিবার বুঝতে পেরেছে।’

হকি তারকা আরও বলেন, ‘যখনই আপনি দেশের হয়ে খেলার সুযোগ পান বা কোনও চাকরি পান, একটা ধারণা তৈরি হয়ে যায় যে, আপনার বিয়ের সময় হয়ে গিয়েছে। আত্মীয়রা সারাক্ষণ আপনার বাবা-মা’কে মেয়ের বিয়ের কথা বলতে থাকবে আর তাঁদের উপর চাপ বাড়বে। শেষেমেশ বাবা-মা'রও একই ধারণা তৈরি হয়ে যায়। তবে গত কয়েক বছরে ছবিটা বদলাতে শুরু করেছে। বাবা-মা'রা এখন বুঝতে শুরু করেছেন সত্যিটা।

বন্ধ করুন