বাংলা নিউজ > ময়দান > বল পড়ে তছনছ বাড়িঘর, প্রতিবেশীর অভিযোগে বন্ধ ১০০ বছরের পুরনো ক্লাবে ক্রিকেট খেলা

বল পড়ে তছনছ বাড়িঘর, প্রতিবেশীর অভিযোগে বন্ধ ১০০ বছরের পুরনো ক্লাবে ক্রিকেট খেলা

১০০ বছরের পুরনো ক্লাবে ক্রিকেট খেলা আপাতত বন্ধ।

ক্লাবের মাঠের বাউন্ডারির পাশে থাকা দুই প্রতিবেশীর অভিযোগের ভিত্তিতেই ক্রিকেট খেলা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ কয়েক জন প্রতিবেশী আবার ক্লাবের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। ক্লাবের পক্ষে সেই দাবি মেটানো শক্ত। ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুভব্রত মুখার্জি: বাড়িতে এসে পড়ে বল। ভেঙে যাচ্ছে কাঁচ। তছনছ হচ্ছে সাজানো ঘর। পড়শিদের একের পর এক অভিযোগে এ বার ক্রিকেট খেলাটাই বন্ধ করতে বাধ্য হল ইংল্যান্ডের ক্লাব। যখন তখন ক্রিকেট বল এসে পড়ছে বাড়িতে, পড়শিদের এই অভিযোগের জেরে ১০০ বছরের পুরনো কোলেহিল ক্রিকেট ক্লাবে বন্ধ হয়ে গেল বড়দের ক্রিকেট খেলাটাই!

উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের উইমবর্নের কাছেই অবস্থিত এই ক্লাবটি। ১০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবে এ বার বন্ধ হয়ে গেল ক্রিকেট খেলাটাই! প্রতিবেশীরা আর একটু সহমর্মিতার সঙ্গে বিষয়টি বিবেচনা করলে হয়তো এমনটা হত না, এ কথাই জানিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: হতাশা বিভ্রান্ত করে..প্রতিটা ম্যাচ শেষ ভেবে খেলতে হবে- শতরান হাঁকিয়ে দার্শনিক কোহলি

স্থানীয় ক্লাব সূত্রে যা খবর, ক্লাবের মাঠের বাউন্ডারির পাশে থাকা দুই প্রতিবেশীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ কয়েক জন প্রতিবেশী আবার ক্লাবের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। ক্লাবের পক্ষে সেই দাবি মেটানো শক্ত। ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কয়েক বছর আগেই ক্লাবের বাউন্ডারি ঘেঁষা একটি বাড়ি ১.৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচা করে কিনেছেন এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগ, যখন তখন বল তাঁর ব্যালকনিতে, তাঁর বাগানে এসে পড়ছে। ফলে ক্ষতি হচ্ছে তাঁর বাড়ির। আর সেই কারণেই বাধ্য হয়েই খেলা বন্ধ করে দিতে হয়েছে ক্লাবের তরফে।

আরও পড়ুন: তোমার জন্য আমি খুব দুঃখিত- লাইভ শো-তে সূর্যের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রাক্তন প্রধান

উল্লেখ্য উইমবর্নের ডোরেস্টের কাছে রয়েছে এই ক্লাব। ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এই ক্লাবের। ২০২১ সালে পিচের দিকের বাউন্ডারির পাশে একটি বাড়ি কেনেন প্রতিবেশী। ছয় মারলে তাঁর বাড়ির বাগানে বল গিয়ে পড়ে। এতে তাঁর সাজানো বাগান বারবার নষ্ট হচ্ছে। অপর প্রতিবেশীর অভিযোগ বল বারবার তাঁর ছাদে পড়ে ছাদ নষ্ট করছে। পেনশনভোগী সেই প্রতিবেশী জানিয়েছেন, তিনি ৩০ বছর ধরে ক্লাবের পাশে থাকেন। সম্প্রতি একটি বলের আঘাতে তাঁর ছাদ নষ্ট হয়েছে। ক্লাব সেটা সারিয়ে দেবে বললেও এখনও পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনিও।

এ বার থেকে ক্লাবের তরফে নিয়ম করা হচ্ছে, ওই দিকে যিনি বল মারবেন, তিনি তৎক্ষণাৎ আউট হয়ে যাবে। ক্লাবের তরফে জানানো হয়েছে, ‘আমরা প্রশাসনের কাছে উচু পাঁচিল করার আবেদন জানিয়েছি। তাঁর অনুমতিও পেয়েছি। ইতিমধ্যেই ৩৫০০ পাউন্ড খরচ করা হয়েছে। আর ১৩০০০ পাউন্ড খরচ করা হবে। তার পরেই খেলা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’

বন্ধ করুন