বাংলা নিউজ > ময়দান > শোয়েব আখতার বা ব্রেট লি নয়, বাইশ গজে বীরেন্দ্র সেহওয়াগ ভয় পেতেন এই বোলারকে

শোয়েব আখতার বা ব্রেট লি নয়, বাইশ গজে বীরেন্দ্র সেহওয়াগ ভয় পেতেন এই বোলারকে

বাইশ গজে কোন বোলারকে ভয় পেতেন বীরেন্দ্র সেহওয়াগ? (ছবি-টুইটার)

শোয়েব আখতার বা ব্রেট লি নন, ভারতীয় ওপেনার বীরেন্দ্র সেহওয়াগ ভয় পেতেন এই বোলারকে। জানেন সেই বোলারের নাম? বাইশ গজে সেই বোলারের আতঙ্ক এখনও কাটেনি সেহওয়াগের। বীরু বলেছেন, সেই বোলারের বিরুদ্ধে রান করার কলা শিখেছিলেন ৭ বছর ধরে।

শোয়েব আখতার বা ব্রেট লি নন, ভারতীয় ওপেনার বীরেন্দ্র সেহওয়াগ ভয় পেতেন এই বোলারকে। জানেন সেই বোলারের নাম? বাইশ গজে সেই বোলারের আতঙ্ক এখনও কাটেনি সেহওয়াগের। বীরু বলেছেন, সেই বোলারের বিরুদ্ধে রান করার কলা শিখেছিলেন ৭ বছর ধরে। এখন মনে প্রশ্ন উঠছে যে, কে সেই বোলার? আসলে সেই বোলার আর কেউ নন, তিনি হলেন শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি ক্রিকেটার মুথাইয়া মুরলিধরন।

আরও পড়ুন… দামি কারান থেকে রাবাদা, শক্তিশালী দল গড়েও IPL 2023-এ কেন ব্যর্থ হল পঞ্জাব কিংস? দেখুন PBKS এর রিপোর্ট কার্ড

টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ব্যাটসম্যান বীরেন্দ্র সেহওয়াগ হলেন সেই ব্যাটার যিনি বাইশ গজে ব্যাট হাতকে নামলে প্রতিপক্ষের বোলারদের মাথা থেকে ঘাম বেরিয়ে যেত। নিজের ক্রিকেট জীবনে গান গাইতে গাইতে ব্যাট করতেন সেহওয়াগ। বীরু যখন ব্যাট করতেন তখন কোনও বোলারকেই তাঁর সামনে খুব একটা সাফল্য পেতে দেখা যায়নি। তবে এর মাঝেই সেহওয়াগ সেই বোলারের নাম প্রকাশ করেছেন যাঁকে সেহওয়াগ নিজের ক্যারিয়ারে খুব ভয় পেতেন। আসলে সেই বোলার নাকি বীরুকে বাইশ গজে অনেক কষ্ট দিয়েছিল। বীরু প্রকাশ করেছেন যে তিনি শ্রীলঙ্কার স্পিন গ্রেট মুথাইয়া মুরলিধরন। বীরু স্বীকার করেছেন যে শোয়েব আখতার, ব্রেট লি বা ম্যাকগ্রাকে নয়, তিনি মুথাইয়া মুরলিধরনের মুখোমুখি হতে ভয় পেতেন।

আরও পড়ুন… বিয়ের কার্ডে ধোনির ছবি, নাম ও জার্সি নম্বর! মাহি ভক্তের এমন কাজ দেখলে আপনিও অবাক হবেন

ব্রেকফাস্ট উইথ চ্যাম্পিয়নস-এ কথা বলার সময়, সেহওয়াগ প্রকাশ করেছিলেন যে তিনি মুথাইয়া মুরলিধরনের বিরুদ্ধে আউট হতে ভয় পেয়েছিলেন। বীরু বলেছিলেন যে শোয়েব আখতার, ব্রেট লির মতো বোলারদের বিরুদ্ধে, তিনি কখনই আউট হওয়ার ভয় পেতেন না, তবে মুরালিধরনই একমাত্র বোলার, যার বলে বীরুর উইকেট হারানোর ভয় ছিল। সেহওয়াগ বলেন, শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি স্পিনারের বিপক্ষে রান করার শিল্প শিখতে তার সাত বছর সময় লেগেছে। তিনি বলেন, মুরলিধরনের বিপক্ষে রান করা খুবই কঠিন ছিল। সেহওয়াগের মতে, তিনি ২০০১ সাল থেকে মুরলিধরনের মুখোমুখি হয়েছিলেন, কিন্তু ২০০৭ সালেই তিনি অভিজ্ঞ স্পিনারের বিরুদ্ধে সঠিকভাবে রান করতে শুরু করেছিলেন।

আরও পড়ুন… ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে WTC ফাইনাল ড্র হলে কী হবে? কাদের হাতে উঠবে ট্রফি?

বীরেন্দ্র সেহওয়াগ অবশ্য প্রকাশ করেছিলেন যে আউট হওয়ার ভয় সত্ত্বেও, তিনি মুরলিধরনের বিরুদ্ধে বড় শট মারার চেষ্টা করতেন এবং এই প্রক্রিয়ায় তিনি বেশ কয়েকবার তাঁর উইকেট হারিয়েছিলেন। বীরু বলেছিলেন যে তিনি শোয়েব আখতার, ব্রেট লির মতো ফাস্ট বোলারদের দ্বারা শরীরে বা হেলমেটে আঘাত পেয়েছিলেন সেটা ঠিক, তবে এই বোলারদের বিরুদ্ধে আউট হওয়ার ততটা ভয় ছিল না যতটা মুরলিধরনের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে তিনি পেতেন। বীরু বলেছেন, ‘সকলেই ভেবেছিল যে এটি শেন ওয়ার্ন বা শোয়েব আখতার বা ব্রেট লি বা গ্লেন ম্যাকগ্রাকে ফেস করা সবচেয়ে ভয়ের বিষয় কিন্তু মুরলিধরনের ‘দুসরা’ খেলাটা সবচেয়ে কঠিন এবং এটার বিরুদ্ধে আমি লড়াই করতাম।’

(আইপিএলের আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন এই লিঙ্কে- https://bangla.hindustantimes.com/sports/ipl)

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন