বাংলা নিউজ > ময়দান > Olympics: করোনা তীব্রতাতেও অলিম্পিকসই পাখির চোখ, প্রস্তুতি সারছেন শরথ-মনিকা
মনিকা বাত্রা ও শরথ কমল। ছবি- পিটিআই।
মনিকা বাত্রা ও শরথ কমল। ছবি- পিটিআই।

Olympics: করোনা তীব্রতাতেও অলিম্পিকসই পাখির চোখ, প্রস্তুতি সারছেন শরথ-মনিকা

  • সিঙ্গলস নয়, এই সেশনে তাঁরা শুধুই ডাবলসে ট্রেনিং করেছেন এবং চেন্নাইতে সরকারি লকডাউনের ঠিক আগেই ভাগ্যবশত শেষ হয় তাঁদের ট্রেনিং।

দেশে করোনা সংক্রমণ তুঙ্গে, প্রতিদিনই রেকর্ড হারে বাড়ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। তবে অলিম্পিকেরও বাকি আর মাত্র তিন মাস। এমন অবস্থায় অ্যাথলিটরা কীভাবে নিজেদের প্রস্তুত করবেন সেই নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। তবে এরই মধ্যে পথ দেখালেন ভারতের টেবিল টেনিস তারকা জুটি মনিকা বাত্রা ও শরথ কমল। নিজেদের উদ্যোগে সেরে নিলেন ট্রেনিং।

অলিম্পিকসে বিশ্বের ১৮ নম্বর মিক্সড ডবলস জুটিকে নিয়ে অনেক আশা ভারতের। গত মাসে দোহায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান অলিম্পিক্স কোয়ালিফিকেশন টুর্নামেন্টে বিশ্বের পাঁচ নম্বর জুটি লি সাংসু ও জিওন জিহিকে চমকে দিয়ে মিক্সড ডবলসে বিভাগে খেলার ছাড়পত্র অর্জন করে এই জুটি। যদিও সিঙ্গলসে খেলার ছাড়পত্র আগেই পেয়ে গিয়েছিলেন দুইজনেই। তবে করোনা পরিস্থিতিতে প্র্যাকটিস নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। প্রথমে পুণেতে যেখানে মনিকা প্র্যাকটিস করেন সেখানে একসাথে ট্রেনিং করার কথা হলেও মহারাষ্ট্র সরকার লকডাউন ঘোষণা করায় তা ভেস্তে যায়। তাই মত বদলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁরা চেন্নাইতে প্র্যাকটিসের সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান শরথ। 

তবে শুধু ট্রেনিং নয়, জুটি হিসাবে সফল হতে হলে ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি একে অপরের শক্তি ও দুর্বলতার বিষয়ে জানাও জরুরি। এই ট্রেনিং সেশন সেটাই করতে সাহায্য করছে বলেছে জানান শরথ। তিনি বলেন, ‘ডবলসে একে অপরের বিষয়ে অবগত হওয়াও খুবই জরুরি। সপ্তাহ জুড়ে আমরা সেটা করতে পেরছি। একটা টুর্নামেন্টে কখনই নেমে একটার পর একটা ম্যাচ খেলে যাওয়া সম্ভব নয়। একটা জুটির একে অপরের সাথে নানা বিষয়ে কথা বলা দরকার, যাতে পার্টনারকে আরও ভালভাবে বোঝা যায়। এর প্রভাব নিঃসন্দেহে খেলাতেও পরে।’ তবে সিঙ্গলস নয়, এই সেশনে তাঁরা শুধুই ডবলসে ট্রেনিং করেছেন এবং চেন্নাইতে সরকারের লকডাউনের ঠিক আগেই ভাগ্যবশত শেষ হয় তাঁদের ট্রেনিং।

বন্ধ করুন