বাংলা নিউজ > ময়দান > টোকিও অলিম্পিক্স > যন্ত্রণা উপেক্ষা করে সাহসী লড়াই, যদিও দেশকে পদক দিতে পারলেন না সতীশ
সতীশ কুমার। ছবি- রয়টার্স (REUTERS)
সতীশ কুমার। ছবি- রয়টার্স (REUTERS)

যন্ত্রণা উপেক্ষা করে সাহসী লড়াই, যদিও দেশকে পদক দিতে পারলেন না সতীশ

  • সাতটি সেলাই নিয়ে রিংয়ে নেমে কোয়ার্টার ফাইনাল হারলেন ভারতীয় বক্সার।

চোট নিয়ে লড়াই চালিয়েও শেষরক্ষা হল না। যন্ত্রণা উপেক্ষা করে রিংয়ে নামলেও দেশকে পদকের সন্ধান দিতে পাররেন না সতীশ কুমার। ছেলেদের সুপার হেভিওয়েট (৯১+ কেজি) বক্সিংয়ের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বিদায় নিতে হল ভারতীয় তারকাকে।

কোয়ার্টার ফাইনাল বাউটে সতীশ পরাজিত হলেন উজবেকিস্তানের বাখোদির জালোলভের কাছে, যিনি এই বিভাগে বিশ্বের এক নম্বর বক্সার। তিনটি রাউন্ডেই ব্যাকফুটে ছিলেন সতীশ। উজবেক বক্সার আগাগোড়া দাপট বজায় রেখে পাঁচ বিচারকের রায় নিজের অনুকূলে টেনে নেন। ফলে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে ৫-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে প্রবেশ করেন বাখোদির। কোয়ার্টারের হার্ডল থেকেই বিদায় নিতে হয় সতীশকে।

(টোকিও অলিম্পিক্স ২০২০-র যাবতীয় খবর, আপডেটের জন্য চোখ রাখুন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়)

উল্লেখ্য, এই প্রথমবার ভারতের কোনও সুপার হেভিওয়েট বক্সার অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জন করেন। অলিম্পিক্সে আবির্ভাবেই ভারতকে পদক জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন সতীশ। তিনি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল বাউটে পরাজিত করেন জামাইকার রিকার্ডো ব্রাউনকে। তবে সেই বাউটের সময়েই চোট পান সতীশ। তাঁর ক্ষতে সাতটি সেলাই পড়ে।

অনায়াসে টোকিওর বক্সিং রিং থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারতেন সতীশ। যদিও তিনি সেপথে হাঁটেননি। মেডিক্যাল টিমের ছাড়পত্র আদায় করে নিজের থেকে এগিয়ে থাকা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালের লড়ায়ে নামার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের সুপার হেভিওয়েট বক্সার। সাহসী লড়াই চালিয়েও শেষমেশ হার মানেন সতীশ।

সতীশের হারের সঙ্গে সঙ্গেই টোকিও অলিম্পিক্সের ছেলেদের বক্সিংয়ে ভারতের অভিযান শেষ হল। অমিত পাঙ্গাল, মণীশ কৌশিক, বিকাশ কৃষাণ ও আশীষ কুমার আগেই বিদায় নিয়েছিলেন। পাঁচ বক্সারের মধ্যে একা সতীশই একটি মাত্র বাউট জিততে সক্ষম হন।

বন্ধ করুন