বাংলা নিউজ > ময়দান > টোকিও অলিম্পিক্স > অলিম্পিক্স পদকের পিছনে বহু আত্মত্যাগ রয়েছে, তবু প্যারিস নিয়ে নতুন স্বপ্ন লভলিনার
টোকিও থেকে দেশের ফেরার পর লভলিনা। ছবি: এএনআই
টোকিও থেকে দেশের ফেরার পর লভলিনা। ছবি: এএনআই

অলিম্পিক্স পদকের পিছনে বহু আত্মত্যাগ রয়েছে, তবু প্যারিস নিয়ে নতুন স্বপ্ন লভলিনার

  • ২৩ বছরের জীবনে লভলিনা বহু আত্মত্যাগ করে ফেলেছেন। যে কারণেই হয়তো টোকিও-র মঞ্চে সাফল্যে পেয়েছেন। আত্মত্যাগ ছাড়া বোধহয় বড় সাফল্য পাওয়া যায় না।

আট বছর পরিবারের থেকে দূরে ছিলেন লভলিনা বড়গোহাঁই। তাঁর পরিবারকে সে সময়ে বহু সমস্যার সম্মূখীন হতে হয়েছে। বহু ঝড়ও বয়ে গিয়েছে। দূরে থেকে সবটাই তিনি শুনেছেন। কিন্তু দৌড়ে এসে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারেননি।

বাইরের খাবার খেতে ভালবাসতেন। নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য সব ফাস্টফুড বা পছন্দের বহু খাবারই ছেড়ে যেতে হয়েছে লভলিনাকে।

২৩ বছরের জীবনে তিনি বহু আত্মত্যাগ করে ফেলেছেন। যে কারণেই হয়তো টোকিও-র মঞ্চে সাফল্যে পেয়েছেন। অনেক আত্মত্যাগ ছাড়া বোধহয় বড় সাফল্য পাওয়া যায় না। ভারতে ফিরে লভলিনা বলেছেন, ‘পরিবারের থেকে আট বছর দূরে ছিলাম। পরিবারের সমস্যার সময়ে পাশে থাকতে পারিনি। দূরে থেকে শুধু জানতে পেরেছি। কিছুই করতে পারিনি। এটাই আমার জীবনে সবচেয়ে বড় আত্মত্যাগ।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘এ ছাড়াও আমার বয়সে অনেক ভাল লাগা থাকে। যেগুলো আমাকে ত্যাগ করতে হয়েছিল। যেমন ফাস্টফুড খাওয়া একেবারে বন্ধ করে দিয়েছিলাম। এবং গত আট বছর ধরে আমি ট্রেনিং থেকে কোনও ছুটি নেওয়ার কথা ভাবিনি। টানা আট বছর ধরে প্রতিটি দিন ট্রেনিং করেছি।’

তাঁর এই আত্মত্যাগের জন্যই হয়তো টোকিও-তে তিনি সাফল্য পেয়েছেন। তবে এখন টোকিও-কে ভুলে নতুন লড়াই শুরু করতে চান লভলিনা। তাঁর পরের লক্ষ্য প্যারিস। পরের বার আর ব্রোঞ্জ নয়, তিনি সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছেন। 

ভারতের এই তারকা বক্সার বলছিলেনও, ‘এই অলিম্পিক্স শেষ হয়ে গিয়েছে। সবটা ভুলে আবার নতুন লড়াই। আর এই লড়াইটা নতুন ভাবেই শুরু করতে চাই।’

বন্ধ করুন