বাংলা নিউজ > ময়দান > টোকিও অলিম্পিক্স > Tokyo 2020: ঐতিহাসিক জয়ে দলের নায়ক শ্রীজেশ, ম্যাচ শেষে বাজি ফাটিয়ে, মিষ্টিমুখ করে খুশির জোয়ারে ভাসল গোটা গ্রাম
ম্যাচ জয়ের পর আবেগ ও উচ্ছ্বাসে ভাসলেন শ্রীজেশ। ছবি- এএনআই।
ম্যাচ জয়ের পর আবেগ ও উচ্ছ্বাসে ভাসলেন শ্রীজেশ। ছবি- এএনআই।

Tokyo 2020: ঐতিহাসিক জয়ে দলের নায়ক শ্রীজেশ, ম্যাচ শেষে বাজি ফাটিয়ে, মিষ্টিমুখ করে খুশির জোয়ারে ভাসল গোটা গ্রাম

  • ম্যাচের শেষ মুহূর্তে জার্মানদের পেনাল্টি কর্ণার রুখে দেন শ্রীজেশ।

৪১ বছর পর ভারতীয় পুরুষ হকি দল অলিম্পিক্সের মঞ্চে পদক জিতে ইতিহাস রচনা করেছে। ব্রোঞ্জ মেডেলের ম্যাচে জার্মানির বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি কর্ণার রুখে দিয়ে দলের নায়ক গোলরক্ষক পিআর শ্রীজেশ। টোকিওয় শেষ মুহূর্তের বাঁশি বাজতেই আনন্দে ফেটে পড়ল শ্রীজেশের গ্রাম কিজাকামবালামের গ্রামবাসীরা।

বৃহস্পতিবার ভারতীয় হকি দলের ঐতিহাসিক ম্যাচের সাক্ষী থাকতে টিভির পর্দায় চোখ রেখেছিলেন গোটা দেশের জনগণ। কেরালার এরণাকুলামের সাদামাটা বাড়ির বাইরে বাইরেও ভিড় জমেছিল। ঘরের ছেলে নায়কসুলভ পারফরম্যান্সে জয় সুনিশ্চিত হওয়ার পর কারুর চোখে জল, তো কেউ জড়িয়ে ধরছেন পাশে থাকা ব্যক্তিকে। ফাটল বাজিও। এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল শ্রীজেশের গ্রাম।

ছেলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শ্রীজেশের বাবা পিভি রবিন্দ্রন। সকলের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করে খুশির জোয়ারে ভাসেন তিনি। ঐতিহাসিক জয়ের পর তিনি বলেন, ‘আমাদের বহুদিনের স্বপ্ন সত্যি হল। আজকে আমাদের গর্বের দিন। আমার ছেলে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ায় আমি খুবই খুশি।’ আবেগে ভেসেছেন তাঁর স্ত্রী অন্বেষাও। ‘সেমিফাইনালে হারার পর আমরা হতাশ হলেও আমি নিশ্চিত ছিলাম যে দলে মেডেল জিতবেই।’

দীর্ঘ কেরিয়ারে শ্রীজেশ, এশিয়ান গেমস, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, কমনওয়েলথ পদক জিতলেও অলিম্পিক্স পদক অধরাই ছিল। এতদিনে সেই স্বপ্নপূরণ হল। ইতিমধ্যেই নায়ককে স্বাগত জানানোর জন্য জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কেরালা। কেরালা হকি ফেডারেশনের তরফে শ্রীজেশকে পাঁচ লক্ষ টাকার পুরস্কারের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের তরফ থেকেও তারকা গোলরক্ষকের ঘরে ফেরার প্রস্তুতি করা হচ্ছে। হয়তো সত্যি এটাই ভারতীয় হকির পুনরুত্থানের শুরু।

বন্ধ করুন