বাংলা নিউজ > ময়দান > টোকিও অলিম্পিক্স > Tokyo 2020: দু'বেলা না খেয়েই স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে নামতে হয়েছিল রবি কুমার দাহিয়াকে, কেন জানেন?
রবি কুমার দাহিয়া। ছবি- রয়টার্স। (REUTERS)
রবি কুমার দাহিয়া। ছবি- রয়টার্স। (REUTERS)

Tokyo 2020: দু'বেলা না খেয়েই স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে নামতে হয়েছিল রবি কুমার দাহিয়াকে, কেন জানেন?

  • ফাইনালে জাভুর উগুয়েভের কাছে ৪-৭ ব্যবধানে পরাজিত হন রবি কুমার।

অলিম্পিক্স ভিলেজে বিলাসিতা, ২৪ ঘন্টা খাওয়া দাওয়ার কোন অভাব নেই অ্যাথলিটদের। তা সত্ত্বেও ৫৭ কেজি বিভাগের ফ্রি-স্টাইল বিভাগে ফাইনালে জাভুর উগুয়েভের বিরুদ্ধে দুইবেলা না খেয়ে স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে নামতে হয়েছিল ভারতীয় কুস্তিগীর রবি কুমার দাহিয়াকে।

নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছে সফল হওয়ার জন্য গোটা জীবন জুড়ে একাধিক প্রতিকূলতাকে জয় করেই এগিয়ে যেতে হয় অ্যাথলিটদের। নিজের কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় ম্যাচের আগে রবি কুমারকেও এমন প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছিল।

বুধবার মাকুহারি মেসে অ্যারিনা থেকে বেরোনোর সময় রবি কুমারের ওজন ছিল ৫৭ কেজি, যা তাঁর বিভাগে প্রতিযোগিতা করার নির্দিষ্ট ৫৭ কেজির সীমা থেকে ৪ কেজি বেশি। কুস্তি বা বক্সিংয়ে নিজের ওজন ধরে রাখা হল এক বিশাল কষ্টকর কাজ। তার ওপর এবারের অলিম্পিক্সে একদিন নয়, দু'দিন ধরে প্রতিযোগিতা চলায় মুশকিল আরও বাড়ে অ্যাথলিটদের।

(টোকিও অলিম্পিক্স ২০২০-র যাবতীয় খবর, আপডেটের জন্য চোখ রাখুন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়)

বিপাকে পড়ে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে ওজন না কমালে ফাইনাল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে যেতেন। এমন অবস্থায়, প্রায় অভাবনীয় এক পদ্ধতির মধ্যে নিয়ে নিজের ওজন ঝড়ান হরিয়ানার কুস্তিগীর। একইদিনে তিনটি বাউটের পর বিধ্বস্ত রবি কুমার গেমস ভিলেজে পৌঁছে জিমে ছুটে যান।

দুই ঘন্টা কসরত করার পাশপাশি ওজন কমাতে টোকিওয়র অসহনীয় গরমে পশমের ট্র্যাকস্যুট পড়ে, নৈশভোজ এবং প্রাতরাশ অবধি করেননি ২৩ বছরের রবি কুমার। রাতে চিন্তায় ঘুমিয়েছেন মাত্র এক ঘন্টা এবং সকালে প্রাতরাশ না করলেও ফের দুই ঘন্টা জিমে কসরত করে ফাইনাল বাউটে নামেন।

ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে রবি কুমার জানান, 'আমি আমার ওজন বিভাগে নির্বাচিত হওয়ার পরই খাবার খাই। তবে এমন হয়েই থাকে। আমি লড়াই করেছিলাম, কিন্তু জিততে পারিনি।' রবি যাই বলুন, এমন প্রতিকূলতাকে জয় করে তিনি ফাইনাল বাউটে যে লড়াইটা দেখিয়েছেন, তা এককথায় অনবদ্য।

বন্ধ করুন