বাংলা নিউজ > ময়দান > টোকিও অলিম্পিক্স > Tokyo 2020: মেয়ের পদকের আনন্দ তাড়াতাড়ি সুস্থ করবে মাকে! লভলিনার সাফল্যের দিকে তাকিয়ে বাবা
লভলিনা বড়গোহাঁই-এর গর্জন (ছবি:রয়টার্স) (REUTERS)
লভলিনা বড়গোহাঁই-এর গর্জন (ছবি:রয়টার্স) (REUTERS)

Tokyo 2020: মেয়ের পদকের আনন্দ তাড়াতাড়ি সুস্থ করবে মাকে! লভলিনার সাফল্যের দিকে তাকিয়ে বাবা

  • মেয়ের পদক পাওয়ার আনন্দ ওর মাকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করে তুলবে বলে মনে করছেন লভলিনার গর্বিত বাবা।

শুক্রবার চাইনিজ তাইপেইয়ের চেন নিয়েন-চিনকে ৪-১ ব্যবধানে হারান লভলিনা বড়গোহাঁই। সকাল থেকে শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে যাচ্ছেন লভলিনার বাবা ও তাঁর পরিবার। তারমধ্যেই উঠে এল লভলিনার লড়াইয়ের কথা। লভলিনা বড়গোহাঁই-এর বাবা জানালেন তাঁর লড়াইয়ের গল্প। ছোট থেকেই খেলা ভালোবাসতেন,  স্কুলে পড়াশোনার সময় লভলিনার শটপাটে বেশি আগ্রহ ছিল বলে জানান টিকেন। বর্তমানে লভলিনার এক দিদি থাকেন রাজস্থানে, অন্য জন শিলিগুড়িতে। ছোটবেলায় এই দুই দিদির সঙ্গে কিকবক্সিংয়ে হাতেখড়ি হয় লভলিনার।

(টোকিয়ো অলিম্পিক্স ২০২০-এর যাবতীয় খবর, আপডেটের জন্য চোখ রাখুন -- এখানে)

লভলিনা বড়গোহাঁই-এর বাবা টিকেন বলেন, ‘প্রথমে তো ‘মুয়ে থাই’ খেলায় আগ্রহ ছিল ওর। ২০১২ সাল নাগাদ সবকিছু বদলে গেল। স্থানীয় এক প্রতিযোগিতায় ও অংশ নিয়েছিল। সেখানেই স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার আধিকারিকদের নজরে পড়ে। সাইয়ের কর্তারা এক নজরেই ওর প্রতিভা বুঝে গিয়েছিলেন।’ সেখান থেকেই ওর অলিম্পিক্সের যাত্রা শুরু। 

ছোট চা বাগানের রোজগারের উপরই নির্ভরশীল বড়গোঁহাই পরিবার। টোকিয়োতে লভলিনার খেলার সময় যখন পুরো গ্রাম মাতোয়ারা, টিকেন শান্ত হয়ে অপেক্ষা করছিলেন ফলাফলের জন্য। লভলিনার বাবা টিকেন বলেন, ‘গ্রামে আমাদের সহজ জীবন, যা রোজগার হয় তাতে মোটামুটি চলে যায়। লভলিনাও গ্রামে সবাই যেমন থাকে তেমনই এখানে ওর জীবনযাপন।’ 

লভলিনার মায়ের কিডনির সমস্যার জন্য অনেকদিন ধরেই চিকিৎসা চলছিল। ছোট চা বাগান সঙ্গে চাষবাস করে দীর্ঘদিন কিডনির চিকিৎসা চালানো খুব সহজ নয় বলে জানান টিকেন। কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য লভলিনার পরিবারকে থাকতে হয়েছিল কলকাতাতেই। একদিকে যখন স্ত্রীর কিডনির চিকিৎসা চলছে প্রস্তুতির জন্য ছোটমেয়ে তখন দিল্লিতে। করোনার সময় মায়ের জটিল অস্ত্রোপচার নিয়ে চিন্তিত মেয়ে খবর নিতেন রোজ। কিডনি প্রতিস্থাপন হয়ে গেলেও এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ নন তিনি। এখনও কিডনির চিকিৎসা চলছে লভলিনার মায়ের। ‘মেয়ের পদক পাওয়ার আনন্দ ওর মাকে তাড়াতাড়ি সুস্থ করে তুলবে বলে মনে হচ্ছে।’ বললেন লভলিনার গর্বিত বাবা। অসমের গোলাঘাট জেলার বারোমুখিয়া গ্রামের মেয়ের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে কলকাতার এক সম্পর্ক।

বন্ধ করুন