বাংলা নিউজ > ময়দান > টোকিও অলিম্পিক্স > Tokyo Olympics: অতীতের ব্যর্থতা ভুলে, ছোটবেলার স্বপ্নপূরণে টোকিও পাড়ি সুতীর্থার
সুতীর্থা মুখোপাধ্যায়। ছবি- টুইটার।
সুতীর্থা মুখোপাধ্যায়। ছবি- টুইটার।

Tokyo Olympics: অতীতের ব্যর্থতা ভুলে, ছোটবেলার স্বপ্নপূরণে টোকিও পাড়ি সুতীর্থার

  • ২০১৫ সালে কোচের ভুলে জাতীয় টেবিল টেনিসের আসর থেকে নির্বাসিত হতে হয়েছিল তাঁকে।

ভারতীয় টেবিল টেনিসের আঁতুড়ঘর হিসাবে পরিচিত উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি থেকে উঠে আসা সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় চোখে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালেই শহর ছাড়লেন। লক্ষ্য, সকল অপমানের জবাব দিয়ে অলিম্পিক্সে মেডেল জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করা। 

২০১৫ সালে কোচের ভুলে জাতীয় টেবিল টেনিসের আসর থেকে নির্বাসিত হতে হয়েছিল তাঁকে। তারপর অনেক টিপ্পনি, কুমন্তব্য সহ্য করতে হয়েছিল। এবার সবকিছুর জবাব দেওয়ার পালা। আত্মবিশ্বাসী সুতীর্থা জানান, ‘ছোট থেকে একদিন অলিম্পিক্সে অংশ নিয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করার স্বপ্ন দেখতাম। সোনিপথে ভারতীয় দলের শিবিরে প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি এখানে সৌম্যদীপ রায়ের অধীনেও নিজের ভুলত্রুটি সারিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চালিয়ে গিয়েছি। ফিটনেস থেকে ম্যাচ সিচ্যুয়েশনের কথা মাথায় রেখে প্র্যাকটিস, সবটাই করেছি। আমি হতাশ করব না।’

আর সুতীর্থার জীবনে যার দেবদূত হয়ে আর্বিভাব, সেই সৌম্যদীপ রায় বলছেন বেশি বড় চিন্তাভাবনা না করে ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করে ও সঠিক পরিকল্পনার ফলেই সাফল্য এসেছে। ‘২০১৮ সালের কমনওয়েলথ গেমসের পর অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জনই আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল। সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে বেছে বেছে টুর্নামেন্ট খেলেছি। ওর ওপর কিছু চাপিয়ে দিইনি। বড় লক্ষমাত্রার বদলে ছোট ছোট গোল সেট করি ওর সামনে। প্রিয় ছাত্রীকে প্রথম অলিম্পিক্সে বেশি চাপ না দিতে রাজি নন সৌম্যদীপ। তিনি বরং ছাত্রী অনন্ত দু’টি ম্যাচ জিতলে শেষ ১৬ জায়গা পাকা করতে পারলেই খুশি।

২৫ বছরের সুতীর্থা ওজন ঝরানো থেকে একদম পুঙ্খানুপুঙ্খ প্র্যাকটিস, কোনকিছুতেই খামতি রাখেন নি। খাটনির ফলও মিলেছে ইতিমধ্যেই। অর্জুন পুরস্কারের জন্য এ বছরই মনোনীত হয়েছেন তিনি। আপাতত দু'দিন দিল্লিতেই থেকে, করোনার দ্বিতীয় ডিজ নিয়ে এবার প্রধান ফল লাভের আশায় টোকিও পারি দেবন তিনি।

বন্ধ করুন