শোয়েব আখতার। ছবি- রয়টার্স।
শোয়েব আখতার। ছবি- রয়টার্স।

ফিরে দেখা ২৭ এপ্রিল, লাহোরের বাইশগজে আগুন ঝরিয়েছিলেন আখতার

  • শোয়েবের কৃতিত্বকে ICC প্রাথমিকভাবে স্বীকৃতি না দিলেও পরে তিনি বিশ্বরেকর্ড নিজের দখলে নেন।

১৮ বছর আগে ঠিক আজকের দিনে দুরন্ত এক নজির স্থাপন করেছিলেন শোয়েব আখতার। লাহোরের বাইশগজে আগুন ঝরিয়েছিলেন প্রাক্তন পাক স্পিডস্টার। ২০০২ সালের ২৭ এপ্রিল ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে ঘন্টায় ১০০ মাইল গতিতে বল করেছিলেন রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস।

১০০ মাইল বা ১৬০.৯৩ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা গতিতে বল করা যে কোনও পেসারের কাছে স্বপ্নের মতোই মনে হওয়া স্বাভাবিক। লাহোরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে ম্যাচে আখতার মাইলের বিচারে তিন অঙ্কে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছিলেন। ক্রেগ ম্যাকমিলানকে তিনি বল করেছিলেন ১৬১.৩ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা গতিতে।

যদিও আইসিসি বিশ্বরেকর্ডের স্বীকৃতি দেয়নি শোয়েবের এই কৃতিত্বকে। কারণ, ম্যাচে ব্যবহৃত স্পিড-গান ছিল স্পনসরদের। আইসিসির নিজস্ব স্পিড-গানে মাপা হয়নি এই গতি।

আইসিসি মেনে নেয়নি বলেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আখতারের এই কৃতিত্বকে বিশ্বরেকর্ড হিসেবে তুলে ধরতে পারেনি জনসমক্ষে। পিসিবির তরফে সেই সময় বিজ্ঞপ্তি মারফৎ জানানো হয়েছিল, 'মাঠে স্পন্সরদের দ্বারা পরিচালিত স্পিড-গান অনুযায়ী লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে শোয়েব আখতার একটি বল করেন ১৬১ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা গতিতে।'

প্রথম দফায় রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেসের এমন কীর্তি রেকর্ড বইয়ে জায়গা না পেলেও তিনি আইসিসির কাছ থেকে এই স্বীকৃতি ছিনিয়ে নিতে খুব বেশি সময় নষ্ট করেননি। পরের বছর বিশ্বকাপের আসরে শোয়েব পুনরায় ১০০ মাইলের সীমা ছাড়িয়ে যান। কেপটাউনের নিউল্যান্ডস স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের গ্রুপ ম্যাচে শোয়েব আখতার ১০০.২৪ মাইল প্রতি ঘন্টা বা ১৬১.৩ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা গতিতে একটি বল করেন। এবার আর শোয়েবের কৃতিত্বকে অস্বীকার করার উপায় ছিল না আইসিসির।

পরে অস্ট্রেলিয়ার ব্রেট লি ও শন টেট ১০০ মাইলের গন্ডি টপকালেও শোয়েবের বিশ্বরেকর্ড ভাঙতে পারেননি। লি ও টেট দু'জনেই ১৬১.১ কিলোমিটার বেগে বল করেন। মিচেল স্টার্ক ১৬০.৪ কিলোমিটার বেগে বল করেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। তিনি অল্পের জন্য ১০০ মাইলের সীমা ছাড়াতে পারেননি।

বন্ধ করুন