বাংলা নিউজ > ময়দান > পেসাররা মাত্র ৩০ বল করে- বুমরাহদের এত চোটের পিছনে আসল কারণ ফাঁস করলেন কপিল

পেসাররা মাত্র ৩০ বল করে- বুমরাহদের এত চোটের পিছনে আসল কারণ ফাঁস করলেন কপিল

কপিল দেব এবং জসপ্রীত বুমরাহ।

জসপ্রীত বুমরাহের চোট একটি বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চোটের কারণে তিনি এশিয়া কাপ খেলতে পারেননি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি। তাঁর দলে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা জারি। এই চোট নিয়ে ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কপিল দেব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন।

ভারতীয় ক্রিকেটে চোট সমস্যা একটি বড় চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ফাস্ট বোলারদের চোট যেন চাপ বাড়াচ্ছে। ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকে হার্দিক পাণ্ডিয়ার চোট ভারতের বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পিঠের চোটের কারণে দীর্ঘ দিন তিনি জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন। ২০২২ আইপিএলে গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক এবং প্লেয়ার হিসেবে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেন হার্দিক। তার পর তিনি জাতীয় দলে ফের জায়গা করে নেন।

এখন জসপ্রীত বুমরাহের চোট আরও একটি বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চোটের কারণে তিনি এশিয়া কাপ খেলতে পারেননি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি। তাঁর দলে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা জারি। এই চোট নিয়ে ১৯৮৩-র বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক কপিল দেব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন।

আরও পড়ুন: ভারতের থেকে পাকিস্তানের শেখা উচিত- পদ থেকে সরতেই সুর বদলালেন রামিজ রাজা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬-বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ার ছিল কপিলের। অথচ তিনি তুলনামূলক ভাবে চোট-আঘাত কম পেয়েছেন। গাল্ফ নিউজে এক সাক্ষাৎকারে তিনি দায়ি করেছেন, ক্রিকেটের বর্ধিত মরশুমকে, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক, ঘরোয়া এবং তার পরে টি-টোয়েন্টি লিগ রয়েছে। ক্রিকেটাররা যে কারণে বেশি চোটপ্রবণ হয়ে পড়ছেন।

তিনি বলেন, ‘এখন একটি মরশুম চলে ১০ মাসের বেশি সময় ধরে। যত বেশি খেলবে প্লেয়াররা, তত চোট বাড়বে। ক্রিকেট সহজ খেলা নয়। প্লেয়ারদের অ্যাথলেটিকদের মতো ফিটনেস দরকার। সমস্ত পেশীর ব্যবহার ঠিক করে করতে হবে এবং বিভিন্ন মাঠে যে কোনও পরিস্থিতিতে, সেটা সহজ হোক বা কঠিন খেলে যেতে হয়। সব কিছু মানিয়ে নেওয়া এত সহজ নয়। এতে শরীরের উপর চাপ পড়ে। যে কারণে চোট বেশি হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: আইপ্যাড, পাসপোর্ট, সব ভুলে যায়- ভুলাক্কার রোহিতের গল্প ৫ বছর আগেই করেছিলেন কোহলি

ভারতীয় দলে পেস বোলারদের ইনজুরির বৃদ্ধির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে, কপিল উল্লেখ করেছেন যে, ফাস্ট বোলারদের নেটে আরও বেশি বল করতে হবে। যার ফলে ম্যাচের সময় সরাসরি চাপ নেওয়ার পরিবর্তে, আগে থেকেই তাঁদের শরীর প্রস্তুত থাকবে। বর্তমান প্রজন্মের একজন ফাস্ট বোলার নেটে মাত্র ৩০টি বল করেন, এই বিষয়ে তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন।

কপিল যোগ করেছেন, ‘আপনি যত বেশি নেটে বল করবেন, তত বেশি আপনার পেশীর বিকাশ হবে। আমি জানলাম যে, পেসারদের মাত্র ৩০টি বল করার অনুমতি দেওয়া হয়। এটা একটা বড় কারণ। প্রফেশনাল লেভেলে খেলার জন্য তারা যখন এত চাপ নেয়, তখন শরীরে ফাটল ধরতে থাকে। তাদের অন্য যে কোনও কিছুর চেয়ে বেশি বল করতে হবে।’

ভারতীয় দল এই মুহূর্তে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ খেলছে। তারা ২০১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালিস্টদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে সিরিজে ২-০ এগিয়ে গিয়েছে। এখনও একটি ম্যাচ বাকি। সেই ম্যাচটি ২৪ জানুয়ারি ইন্দোরে রয়েছে। সেই ম্যাচ জিতে কিউয়িদের হোয়াইটওয়াশ করাই টিম ইন্ডিয়ার লক্ষ্য। এই ম্যাচ জিতলে ভারত আইসিসি ওডিআই র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠে আসবে।

বন্ধ করুন