বাংলা নিউজ > ময়দান > কোনও 'ওয়ার্নিং' না দিয়েই সোজা ‘মানকাডিং’ মহিলা ক্রিকেটে, কী বলছে BCCI?
সেই ‘মানকাডিং’। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)
সেই ‘মানকাডিং’। (ছবি সৌজন্য বিসিসিআই)

কোনও 'ওয়ার্নিং' না দিয়েই সোজা ‘মানকাডিং’ মহিলা ক্রিকেটে, কী বলছে BCCI?

  • এবার ঘরোয়া মহিলা ক্রিকেটেও শুরু হল 'মানকাডিং' বিতর্ক।

এবার ঘরোয়া মহিলা ক্রিকেটেও শুরু হল 'মানকাডিং' বিতর্ক। মহিলাদের সিনিয়র একদিনের টুর্নামেন্টের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে কোনও 'ওয়ার্নিং' না দিয়েই গোয়ার সঞ্জুলা সুধাকর নায়েককে 'মানকাডিং' করেন পঞ্জাবের কণিকা আহুজা। প্রাথমিকভাবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইটেও আউটের ধরন হিসেবে 'মানকাডিং' দেখানো হচ্ছিল। যা পরে রান আউট করা হয়েছে।

শনিবার বেঙ্গালুরু চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পঞ্জাব। খুব বাজে শুরু করে গোয়া। সাত ওভারে ২৯ রানে চার উইকেট খুইয়ে ফেলেন শিখা পান্ডেরা। তারপর গোয়ার হাল ধরেন শিখা এবং সঞ্জুলা। কিন্তু ২৫.৩ ওভারে সঞ্জুলাকে 'মানকাডিং' করেন কণিকা। বল করার আগেই কোনও 'ওয়ার্নিং' না দিয়েই 'মানকাডিং' করেন। অত্যন্ত জটিল সিদ্ধান্ত ছিল। শেষপর্যন্ত সঞ্জুলাকে আউট দেওয়া হয়। 

প্রাথমিকভাবে গোয়ার ব্যাটারের আউটের ধরন হিসেবে বিসিসিআইয়ের ওয়েবসাইটের স্কোরকার্ডে 'মানকাডিং' লেখা হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর তা পালটে ‘রান আউট’ করে দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের আইপিএলে রবিচন্দ্রন অশ্বিন যখন জস বাটলারকে 'মানকাডিং' করেছিলেন, তখন ভারতীয় বোর্ডের তরফে 'মানকাডিং' লেখা হয়েছিল। আউটের ধরন হিসেবে ‘রান আউট’ লেখা হয়েছিল। তবে আইপিএসের ওয়েবসাইটে যে ভিডিয়ো দেওয়া হয়েছিল, তাতে 'বাটলারকে করা অশ্বিনের মানকাডিং' বলে লেখা হয়।

এমনিতেই 'মানকাডিং' নিয়ে নানা মুনির নানা মত আছে। অনেকের মতে, এটা খেলার স্পিরিটের বিরোধী। পালটা একটি অংশের বক্তব্য, ব্যাটার যদি বলের আগে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পারেন, তাহলে 'মানকাডিং'-এ দোষ কোথায়? কারণ ওই যতটা ক্রিজ থেকে বেরোচ্ছেন, সেটার জন্য তো রান-আউট থেকে বেঁচে যেতে পারেন। আর ক্রিকেটে নিয়মে তো কোথাও লেখা নেই যে 'মানকাডিং' অবৈধ।

বন্ধ করুন