বাংলা নিউজ > ময়দান > গোপীচাঁদকে বাদ দিয়ে, বিদেশি কোচের তত্ত্বাবধানেই অনুশীলন শুরু করলেন পিভি সিন্ধু
পিভি সিন্ধু। ছবি- গেটি ইমেজেস।
পিভি সিন্ধু। ছবি- গেটি ইমেজেস।

গোপীচাঁদকে বাদ দিয়ে, বিদেশি কোচের তত্ত্বাবধানেই অনুশীলন শুরু করলেন পিভি সিন্ধু

  • ২০১৬ সালের অলিম্পিক্সে গোপীচাঁদের কোচিংয়ে খেলেই মেডেল জেতেন সিন্ধু।

২০১৬ সালের রিও অলিম্পিক্সে সিলভার মেডেল জিতে সমগ্র দেশবাসীকে গর্বিত করেন পিভি সিন্ধু। পাঁচ বছর পরে টোকিও অলিম্পিক্সে ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসে মেডেল জয়ে আবারও আশা তিনিই। কিন্তু গতবারের কোচ পুলেল্লা গোপীচাঁদের বদলে দক্ষিণ কোরিয়ান কোচ পার্ক তাই সাংয়ের সঙ্গেই জুটি বেঁধে এবার টোকিওতে সাফল্য লাভের আশায় কোর্টে নামবেন সিন্ধু।

তবে এ বছর কোন টুর্নামেন্টেই তেমন সাফল্য় না পেলেও কোচ বদলের ফলে যে তাঁর কোন প্রভাব পড়েছে মানতে নারাজ ব্যাডমিন্টন তারকা। বরং ক্রীড়াবিদদের জীবনে অতীত ভুলে বর্তমানের দিকে তাকানোই আসল বলে দাবি সিন্ধুর।

আউটলুকের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে ভারতীয় শাটলার জানান, ‘অ্যাথলিট হিসাবে অতীত ভুলে বর্তমানে ফোকাস করাটা খুব জরুরি। দিনের শেষে খেলোয়াড়দের সব বুঝেশুনে তাঁদের নিজেদের জন্য কোনটা ভাল, কোনটা মন্দ সেটা বিচার করতে হয়। সত্যি বলতে মাঝে মাঝে কিছু পরিবর্তনেরও দরকার হয়ে পড়ে। আলাদা আলাদা কোচেদের থেকে আপনি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। গোপীচাঁদ ২০১৬ সালে আমার সঙ্গে ছিল এবং সেই সময়টা বেশ ভালই কাটে। তবে আমার মনে হয় এ বারের জন্য় আমি প্রস্তুত (অলিম্পিক্সের জন্য) এবং আমি গোপীচাঁদকে মিস করব না। সেই উদ্দেশ্যেই আমি প্রতিদিন পাঁচ-ছয় ঘন্টা ধরে পার্ক ও সুচরিতার (ট্রেনার) সঙ্গে নিয়মিত অনুশীলন করছি।’

অলিম্পিক্সের যোগ্যতা অর্জন করার জন্য বিশ্বের প্রথম ১৬ জন শাটলারের মধ্যে থাকতে হয়। মহিলা সিঙ্গলসে সিন্ধুই এ বারের অলিম্পিক্সে ভারতের একমাত্র প্রতিনিধি। তাই তাঁর ওপর গোটা দেশের প্রত্যাশার চাপটাও অনেক বেশি পরিমাণে থাকবে।

বন্ধ করুন