বাংলা নিউজ > ময়দান > কেরিয়ারের প্রথম ৩টি ODI সিরিজের প্রতিটিতেই সেঞ্চুরি করে নয়া নজির আফগান কিপার-ব্যাটারের

কেরিয়ারের প্রথম ৩টি ODI সিরিজের প্রতিটিতেই সেঞ্চুরি করে নয়া নজির আফগান কিপার-ব্যাটারের

রহমানুল্লাহ গুরবাজ।

কেরিয়ারের প্রথম তিনটি ওডিআই সিরিজের প্রতিটিতেই সেঞ্চুরি করে নয়া নজির গড়লেন আফগান কিপার-ব্যাটার। আর কোনও ক্রিকেটারের এই রেকর্ড নেই। সোমবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শতরান করা ছাড়াও এর আগের দু'টি ওডিআই সিরিজে নেদারল্যান্ডস এবং আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও সেঞ্চুরিও করেছেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজ হেরে বসে থাকলেও, মান রক্ষার লড়াই আফগানদের তরী পার করে দিলেন ২০ বছরের তরুণ। আফগানিস্তানের উইকেটকিপার-ব্যাটার রহমানুল্লাহ গুরবাজের সেঞ্চুরির হাত ধরেই ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে গেল আফগানিস্তান। সেই সঙ্গে নয়া নজির গড়ে ফেললেন রহমানুল্লাহ।

কেরিয়ারের প্রথম তিনটি ওডিআই সিরিজের প্রতিটিতেই সেঞ্চুরি করে নয়া নজির গড়লেন আফগান কিপার-ব্যাটার। আর কোনও ক্রিকেটারের এই রেকর্ড নেই। সোমবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শতরান করা ছাড়াও এর আগের দু'টি ওডিআই সিরিজে নেদারল্যান্ডস এবং আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও সেঞ্চুরিও করেছেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ।

বাংলারদেশের ঠিক আগের সিরিজেই দোহাতে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ১০৩ রান করেছিলেন তিনি। আর আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আবুধাবিতে ১২৭ রান করেছিলেন রহমানুল্লাহ।

প্রথম দু'ম্যাচে হেরে সিরিজ আগেই খুইয়ে বসেছিল আফগানিস্তান। তবে নিয়মরক্ষার তৃতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে কিছুটা হলেও মান রক্ষা করল আফগানিস্তান। সেই সঙ্গে আইসিসি মেনস ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ সুপার লিগের মূল্যবান ১০ পয়েন্টও সংগ্রহ করেন রশিদ খানরা।

চট্টগ্রামে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। তারা ৪৬.৫ ওভারে ১৯২ রানে অল-আউট হয়ে যায়। লিটন দাস ওপেন করতে নেমে দলের হয়ে সব থেকে বেশি ৮৬ রান করেন। এছাড়া শাকিব আল হাসান ৩০, মাহমুদুল্লাহ অপরাজিত ২৯ ও ক্যাপ্টেন তামিম ১১ রান করেন।

আফগানিস্তানের হয়ে ৩৭ রানে ৩ উইকেট নেন রশিদ খান। মহম্মদ নবি ২৯ রানে ২ উইকেট দখল করেন। ১টি করে উইকেট নেন ফজলহক ফারুকি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই। বাংলাদেশের ৩ জন ব্যাটসম্যান রান-আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন।

পালটা ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান ৪০.১ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ১৯৩ রান তুলে নেয়। ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ১০৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। তিনি ১১০ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন। এছাড়া রিয়াজ হাসান ৩৫ ও রহমত শাহ ৪৭ রান করেন।

৫৯ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেট ম্যাচ জেতে আফগানিস্তান। যদিও বাংলাদেশ সিরিজ জেতে ২-১ ব্যবধানে। বাংলাদেশের হয়ে ২টি উইকেট নেন মেহেদি হাসান মিরাজ এবং ১টি উইকেট নেন শাকিব। ম্যাচের সেরা হয়েছেন রহমানুল্লাহ। সিরিজের সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন লিটন।

বন্ধ করুন