বাংলা নিউজ > ময়দান > পাকিস্তানি জনতার প্রতিক্রিয়ার ভয়ে সৌরভের আমন্ত্রণ পেয়েও IPL-এ আসেননি রামিজ রাজা
সৌরভের আমন্ত্রণের পরেও IPL দেখতে আসেননি রামিজ রাজা (ছবি-এপি)

পাকিস্তানি জনতার প্রতিক্রিয়ার ভয়ে সৌরভের আমন্ত্রণ পেয়েও IPL-এ আসেননি রামিজ রাজা

  • বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তাকে দুবার আইপিএল-এর ফাইনাল দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে ভক্তদের আবেগ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই তিনি না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তার মতে  ক্রিকেটের জন্য যেতে পারলে ভালোই হতো। তবে, এখন পরিস্থিতি বদলাতে সময় লাগবে।

গত এক দশক ধরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়নি। এর মধ্যেই সিরিজ পাওয়ার কথা ওঠে ​​দুই পক্ষ থেকে। কিন্তু দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে এখন পর্যন্ত তা হওয়ার কোনও বিষয় নেই। এদিকে, ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্ক নিয়ে বড় ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান রামিজ রাজা। 

পিসিবি-র বোর্ড সভার পরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন যে বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তাকে দুবার আইপিএল-এর ফাইনাল দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে ভক্তদের আবেগ এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই তিনি না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তার মতে  ক্রিকেটের জন্য যেতে পারলে ভালোই হতো। তবে, এখন পরিস্থিতি বদলাতে সময় লাগবে। রামিজ রাজা বলেন, ‘আমি যদি IPL -এ যেতাম তাহলে দর্শকরা আমায় কখনই ছাড়ত না।’

আরও পড়ুন… ‘এবার PSL-এ নিলাম শুরু করব, তার পর দেখব কে IPL-এ খেলতে যায়!’ স্বপ্ন দেখছেন রামিজ

গত বছর আইপিএলে করোনার ঘটনা সামনে আসার পর লিগের দ্বিতীয়ার্ধের আয়োজন করা হয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। একই সময়ে, এই বছর পুরো টুর্নামেন্টটি ভারতে হয়েছিল বায়ো-বাবলসের মধ্যে। পিসিবি চেয়ারম্যানের মতে, এই বছর ভারতে অনুষ্ঠিত আইপিএল ফাইনাল ছাড়াও তিনি গত বছরও সৌরভের কাছ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন। বিসিসিআই দ্বিতীয় মরশুম থেকেই আইপিএলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্ত করেনি। ২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম মরশুমে খেলেছিলেন পাকিস্তানি খেলোয়াড়রা।

আরও পড়ুন… ‘এবার PSL-এ নিলাম শুরু করব, তার পর দেখব কে IPL-এ খেলতে যায়!’ স্বপ্ন দেখছেন রামিজ

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেন পিসিবি চেয়ারম্যান। রামিজ রাজা বলেন, ‘গত বছরের সেপ্টেম্বরে আমি পিসিবি চেয়ারম্যান হয়েছিলাম। এরপর থেকে পাকিস্তান দলের পারফরম্যান্স বাকি টেস্ট খেলা দেশগুলোর চেয়ে ভালো হয়েছে। আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর থেকে পাকিস্তান তিনটি ফর্ম্যাটেই ২৪টি ম্যাচ খেলেছে এবং ৭৫ শতাংশ ম্যাচ জিতেছে। একই সময়ে ভারত ৬৮ শতাংশ এবং ইংল্যান্ড জিতেছে ৪৫ শতাংশ ম্যাচ। অর্থাৎ পাকিস্তান ক্রিকেট উন্নতির দিকে যাচ্ছে। এ কারণে পাকিস্তানের আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে পাকিস্তান টেস্টে এক ধাপ উপরে উঠে পঞ্চম, ওয়ানডেতে তৃতীয় এবং টি-টোয়েন্টিতে একই স্থানে রয়েছে। পাকিস্তান দল ২০১৭ সালের জানুয়ারির পর প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে তৃতীয় স্থানে পৌঁছেছে।

বন্ধ করুন