জয়ের পর উল্লাস  (PTI)
জয়ের পর উল্লাস (PTI)

Ranji Trophy-কর্নাটকের দর্প চূর্ণ করে ১৩ বছর পর ফাইনালে বাংলা

১৯৮৯-৯০ সালে শেষবার রঞ্জি জিতেছিল বাংলা।

ঘরের মাঠে কর্নাটককে ১৭৪ রানে হারিয়ে তেরো বছর বাদে রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে গেল বাংলা। প্রথম ইনিংসে দুরন্ত শতরানের জন্য ম্যাচের সেরা অনুষ্টুপ মজুমদার। লাগাতার দুই বার বাংলার অনবদ্য বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ল কর্নাটকের তারকাখচিত ব্যাাটিং লাইনআপ। চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনেই বিশেষ কোনও প্রতিরোধ না গড়ে ১৭৭ রানে অল আউট হল বাংলা। ছয় উইকেট নেন মুকেশ।

ইডেনের সবুজ পিচে দুই দলের মধ্যে ফারাক হয়ে দাঁড়ালেন অনুষ্টুপ মজুমদার। ১৭৪ রানে জিতল বাংলা, দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৯০ রান করেছেন অনুষ্টুপ। প্রথম ইনিংসে ৬৭ রানে যখন ছয় উইকেট পড়ে যায়, তখন আকাশ দীপ ও শাহবাজের সঙ্গে পার্টনারশিপে ১৪৯ রানে নট আউট থেকে বাংলাকে ৩১২ রানে নিয়ে যান অনুষ্টুপ। দ্বিতীয় ইনিংসেও গুরুত্বপূর্ণ ৪১ রানেই ইনিংস খেলেন তিনি।

তবে বাংলার এই জয় তাদের বোলারদের অবদান অনস্বীকার্য। কর্নাটক ব্যাটিংয়ে বড় নামদের সামনে গুটিয়ে যাননি তারা। বরং ভালো বোলিং করে সবার নজর কাড়লেন তারা। প্রথম ইনিংসে ৩৯ রানে পাঁচ উইকেট নেন ঈশান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬১ রানে ৬ উইকেট নেন মুকেশ।

কর্নাটকের তারকা ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি ব্যর্থ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১২২ রানে অল আউট হয় তারা। সেখানেই কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাকে ১৬১ রানে আউট করে কিছুটা কর্নাটককে ম্যাচে ফেরান মিঠুন। কিন্তু রান চেজ করতে গিয়ে ফের হতাশ করলেন কর্নাটকের ব্যাটাররা। এক দেবদূত পাদিক্কাল (৬২) ছাড়া কেউই নিজের সুনামের প্রতি বিচার করতে পারেননি।

ম্যাচ জিতলেও বাংলাকে চিন্তায় রাখবে টপ অর্ডারের ধারাবাহিক ব্যর্থতা। অধিনায়ক ঈশ্বরন সহ অনেকেই রান পাচ্ছেন না। কোয়ার্টার ও সেমিতে বাংলাকে উদ্ধার করেছেন অনুষ্টুপ। কিন্তু তিনি যদি রান না পান, তাহলে কে জেতাবে বাংলাকে। ফাইনালের আগে সেই চিন্তাই কুরে কুরে খাবে বাংলার টিম ম্যানেজমেন্টকে।

১৯৮৯ সালে শেষ বার রঞ্জি ট্রফি জিতেছে বাংলা। ২০০৫-০৬ ও ২০০৬-০৭ পরপর দুই বছর ফাইনালে গেলেও শেষ ধাপ পেরোতে ব্যর্থ হয়েছিল বাংলা।










বন্ধ করুন