এ মরশুমে রঞ্জিতে অনবদ্য ফর্মে রয়েছেন সরফরাজ খান। মুম্বইয়ের হয়ে একের পর এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন সরফরাজ। মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে ফাইনালেও ফের একবার গর্জে উঠল তাঁর ব্যাট। এ বারের রঞ্জি মরশুমে চতুর্থ শতরানটি করে ফেললেন সরফরাজ।
২৪৩ বলে সরফরাজের ১৩৪ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৩টি চার ও দুইটি ছক্কায়। মুম্বইয়ের হয়ে তিনিই ফাইনালে সর্বোচ্চ রান করেন। তাঁর ব্য়াটে ভর করে মুম্বই প্রথম ইনিংসে ৩৭৪ রান তোলে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে একমাত্র ডন ব্র্যাডম্যান ছাড়া আর কোনও ব্যাটারের গড় সরফরাজের থেকে বেশি নয়। ফাইনালে এই অনবদ্য সেঞ্চুরির সুবাদে এক দুর্দান্ত নজিরও গড়ে ফেললেন। মাত্র তৃতীয় ব্যাটার হিসাবে অজয় শর্মা এবং ওয়াসিম জাফরের পর রঞ্জির দুই মরশুমে ৯০০-র অধিক রান করলেন তিনি। তবে সরফরাজ বাদে বাকি দুইজন কিন্ত তাঁর মতো পরপর মরশুমে এমন দাপট দেখাতে পারেননি।
দিল্লির হয়ে অজয় শর্মা ১৯৯১-৯২ মরশুমে ৯৯৩ ও ১৯৯৬-৯৭ মরশুমে ১০৩৩ রান করেছিলেন। প্রাক্তন মুম্বই তারকা ওয়াসিম জাফর ২০০৮-০৯ মরশুমে ১২৬০ ও ২০১৮-১৯ মরশুমে ১০৩৭ রান করেছিলেন। সরফরাজ ২০১৯-২০ মরশুমে ৯২৮ রান করেছিলেন। গত বছর করোনার জেরে রঞ্জি আয়োজিত হয়নি। এ মরশুমে আপাতত তিনি এখনও পর্যন্ত মোট ৯৩৭ রান করেছেন। মরশুমে আট ইনিংসে তাঁর সর্বনিম্ন স্কোর ৪০। মাত্র দুই ইনিংসে অন্তত অর্ধশতরান করতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। মুম্বই এবার রঞ্জি জিতুক না জিতুক, ২৪ বছর বয়সি সরফরাজের এই মরশুমটা কিন্তু চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
রোহিতদের প্রস্তুতির রোজনামচা, পাল্লা ভারি কোন দলের, ক্রিকেট বিশ্বকাপের বিস্তারিত কভারেজ, সঙ্গে প্রতিটি ম্যাচের লাইভ স্কোরকার্ড । দুই প্রধানের টাটকা খবর, ছেত্রীরা কী করল, মেসি থেকে মোরিনহো, ফুটবলের সব আপডেট পড়ুন এখানে।