বাংলা নিউজ > ময়দান > Ranji Trophy Final: ‘সবচেয়ে বেশি স্যার কেঁদেছেন’, পণ্ডিতকে নিয়ে আবেগে ভাসল MP শিবির
প্রথম বার রঞ্জি জয়ের স্বাদ পেল মধ্যপ্রদেশ।

Ranji Trophy Final: ‘সবচেয়ে বেশি স্যার কেঁদেছেন’, পণ্ডিতকে নিয়ে আবেগে ভাসল MP শিবির

  • রঞ্জির ফাইনালের প্রতিটা দিন একটি নির্দিষ্ট চেয়ারে বসে পুরো ম্যাচ দেখেছেন চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। টেনশন নিয়ে প্রতিটা মুহূর্ত কাটালেও, মুম্বই বধের হিসেবটা তিনি একেবারে মেপে করেছিলেন। যার নিট ফল, ফাইনালে ৬ উইকেটে মুম্বইয়ের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেল মধ্যপ্রদেশ।

রজত পতিদার শেষ রান নেওয়ার পরেই আবেগে ভেসে যান চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। চোখ দিয়ে নেমে আসে জলের ধারা। তবে এই জলে মিশেছিল শুধুই আনন্দ। লুকিয়ে ছিল ২৩ বছর আগে যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উচ্ছ্বাস। ইতিহাস লেখার আবেগ।

রঞ্জির ফাইনালের প্রতিটা দিন একটি নির্দিষ্ট চেয়ারে বসে পুরো ম্যাচ দেখেছেন মধ্যপ্রদেশের কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। টেনশন নিয়ে প্রতিটা মুহূর্ত কাটালেও, মুম্বই বধের হিসেবটা তিনি একেবারে মেপে করেছিলেন। যার নিট ফল, ফাইনালে ৬ উইকেটে মুম্বইয়ের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পেল মধ্যপ্রদেশ।

মধ্যপ্রদেশ চ্যাম্পিয়ন হতেই চেয়ার ছেড়ে মাঠে নেমে আসেন চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। আবেগে ভেসে যান। প্লেয়াররা কোচকে ঘিরে প্রথমে সেলিব্রেশনে মাতেন। তার পর তাঁকে কাঁধে তুলে নেন। কারণ পণ্ডিতের তৈরি করা নিখুঁত চালেই যে বাজিমাত করেছেন তাঁর শিষ্যরা। তাই স্যারকে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন আদিত্য শ্রীবাস্তবরা।

আদিত্য এই বছরই দলের অধিনায়ক হয়েছেন। আর প্রথম বছরেই তাঁর নেতৃত্বে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন মধ্যপ্রদেশ। স্বাভাবিক ভাবেই উচ্ছ্বাসটা একটু বেশিই ছিল আদিত্য শ্রীবাস্তবের। তবে তিনি মধ্যপ্রদেশের সাফল্যের সব কৃতিত্বই দিচ্ছেন কোচকে। তিনি বলেছেন, ‘আমরা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে রয়েছি। অধিনায়ক হিসেবে এটাই ছিল আমার প্রথম বছর। এবং আমি যা শিখেছি, তা চন্দ্রকান্ত স্যারের কাছ থেকেই। আমি এই শিক্ষা নিয়েই এগিয়ে যেতে চাই। এটি একটি খুব ভালো দল ছিল। এমন কী ঈশ্বর পাণ্ডেও আমাদের দলে ছিলেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত তিনি চোট পেয়ে যান।’

আরও পড়ুন: রঞ্জিতে ইতিহাস, মুম্বইকে হারিয়ে প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন মধ্যপ্রদেশ

ম্যাচের সেরা হন মধ্যপ্রদেশের শুভম শর্মা। তিনি আবার বলেন, ‘পুরো দল এবং আমিও আবেগপ্রবণ এবং খুশি। [চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত] স্যার সবচেয়ে বেশি কেঁদেছেন। প্রথম ইনিংসে আউট হওয়ার পরে তিনি আমাকে বিষয়গুলোকে হাল্কা ভাবে নিতে বারণ করেছিলেন। আমি ব্যাথা কমানোর ওষুধ খেয়েছিলাম [ফিল্ডিংয়ের সময় কাঁধের চোটের পরে], এবং তার পরে ঠিকই ছিলাম। সৌভাগ্যক্রমে ফাইনালে আমার সেরাটা দিতে পেরেছি।’

১৯৯৮-৯৯ রঞ্জিতে ২৩ বছর আগে প্রথম বার রঞ্জির ফাইনালে উঠেছিল মধ্যপ্রদেশ। কিন্তু কর্ণাটকের বিরুদ্ধে তারা সে বার হেরে যায়। এর পর ফের এই বছর ফাইনালে ওঠে এমপি। মধ্যপ্রদেশ ২৩ বছর আগে যখন রঞ্জির ফাইনাল খেলেছিল, তখন সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। সে বার তিনি দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। আর এ বার তিনি মধ্যপ্রদেশের কোচ। মাঠের বাইরে থেকে নিখুঁত অঙ্কে এই বারের হিসেবটা একেবারে মিলিয়ে ফেললেন চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত। আর সেই সঙ্গেই ইতিহাস লিখে ফেলল মধ্যপ্রদেশ।

বন্ধ করুন