অভিমন্যু মিঠুন ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের দুরন্ত পারফরমেন্সের জেরে রঞ্জি সেমিফাইনালে ম্যাচে ফিরল কর্নাটক। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও অনুষ্টুপ ও শাহবাজ খেলা না ধরলে অনেক কম রানেই অল আউট হয়ে যেত বাংলা। এদিন হোম টিম ১৬১ রানে সবকটি উইকেট হারায়। জয়ের জন্য ৩৫২ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে তৃতীয় দিনের শেষে কর্নাটক তিন উইকেটে ৯৮।

এদিন ৭২ রানে চার উইকেটে শুরু করে বাংলা। শুরুতেই আউট হন ফর্মে থাকা সুদীপ। কোনও রান না করেই আউট হন শ্রীবত্স। এরপর শাহবাজের সঙ্গে জুটিতে অমূল্য ৬১ রানের পার্টনারশিপ গড়েন অনুষ্টুপ। একবার গৌতম শাহবাজকে আউট করার পর বেশিক্ষণ টেকেনি বাংলার টেল। মাত্র ১১ রানে বাকি তিন উইকেট হারায় বাংলা। বাংলার হয়ে সর্ব্বোচ্চ করেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (৪৫), দ্বিতীয় স্থানে অনুষ্টুপ (৪১)। বোলিংয়ে ২৩ রানে চার উইকেট নেন মিঠুন। মাত্র ১৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাকে ভাঙেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম।

বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে তারকা ক্রিকেটার কে এল রাহুলকে ঈশান পোড়েলের বলে শূন্য রানে হারায় কর্নাটক। রান পাননি অধিনায়ক করুণ নায়ার । কিন্তু খুব ভালো ফর্মে রয়েছেন দেবদূত পাদিক্কাল (৫০ নট আউট)। তাঁর সঙ্গে ক্রিজে রয়েছেন মণীশ পাণ্ডে। এই জুটি কেমন খেলেন তার ওপরেই নির্ধারিত হবে ম্যাচের ভাগ্য।

কর্নাটকের চাই আরও ২৫৪ রান, বাংলার আরও সাত উইকেট। আরও দুই দিন আছে, তাই খেলার যে সরাসরি ফয়সলা হবে তা বলাই চায়। এখনও পর্যন্ত বাংলা এগিয়ে থাকলেও ১৯০ রানের লিড পাওয়ার পর এদিন কর্নাটককে খেলা থেকে বের করে দেওয়ার যে পরিকল্পনা নিয়েছিল ঈশ্বরনের দল, তা সফল হল না। চ্যাম্পিয়ন দলের মতোই প্রত্যাবর্তন করল কর্নাটক।





বন্ধ করুন