সেঞ্চুরির পর অনুষ্টুপ  (PTI)
সেঞ্চুরির পর অনুষ্টুপ (PTI)

Ranji Trophy সেমিফাইনাল- ফের বাংলার রক্ষাকর্তা অনুষ্টুপ মজুমদার

দারুন শুরু করেছিল কর্নাটক, অনুষ্টুপ ম্যাচে ফেরাল বাংলাকে।

ওড়িশার বিরুদ্ধে বাংলাকে বাঁচিয়ে ছিলেন তিনি। এবার ঘরের মাঠে ফের ঝলসে উঠলেন অনুষ্টুপ মজুমদার। তাঁর অপরাজিত শতরানের দৌলতে রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে প্রথম দিনের শেষে এখনও খেলায় আছে বাংলা। কর্নাটকের বিরুদ্ধে ২৭৫ রানে নয় উইকেট বাংলা, ১২০ নট আউট বর্ষীয়ান অনুষ্টুপ।

এদিন ফের টপ অর্ডার ব্যর্থ হয় বাংলার। টসে জিতে ইডেনের সবুজ ট্র্যাকে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠায় কর্নাটক। এক সময় ৬৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে গেছিল। তখন মনে হচ্ছিল প্রথম দিনেই শেষ হয় যাচ্ছে বাংলার ১৩ বছর বাদে ফাইনালে যাওয়ার আশা। তারকাখচিত কর্নাটক যদিও এখনও ম্যাচে অনেকটাই এগিয়ে। এদিন ওপেনার অভিষেক রমনকে শূন্য রানে আউট করেন অভিমন্যু মিঠুন। এটি ইতিহাসের খাতায় চলে গেল ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রথম DRS ব্যবহার করে আউট হওয়ার জন্য। রান পাননি অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন (১৫) ও তারকা ক্রিকেটার মনোজ তেওয়ারি (৮)। কিছুটা সেট হয়েও আউট হন সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (২০)। খাতা খুলতে পারেননি শ্রীবত্স গোস্বামী।

সেই পরিস্থতি থেকে আকাশ দীপের (৪৪) সঙ্গে নবম উইকেটে সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ করেন অনুষ্টুপ। এর আগে শাহবাজ আহমাদের সঙ্গে ৭২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তিনি। এদিন ১৭৩ বলে নিজের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটের নবম সেঞ্চুরিটি করেন অনুষ্টুপ।

কর্নাটকের জন্য ভালো বোলিং করেন অভিমন্যু মিঠুন (৬৫ রানে তিন উইকেট)। দুটি করে উইকেট পেয়েছেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, কৃষ্ণাপ্পা গৌতম ও রণিত মোর। দুর্ধষ ফর্মে থাকা কে এল রাহুল এই ম্যাচে কর্নাটকের হয়ে খেলছেন। এ ছাড়াও আছেন করুণ নায়ার সহ ঘরোয়া ক্রিকেটের বড় কিছু নাম। কাল বাংলা এই তারকাখচিত দলের বিরুদ্ধে কেমন বোলিং করে, সেটাই দেখার।

অন্য সেমিফাইনালে, গুজরাতের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে পাঁচ উইকেটে ২১৭ রান করেছে সৌরাষ্ট্র। সৌরাষ্ট্রের হয়ে টপ স্কোরার অপরাজিত শেলডন জ্যাকসন ( ৬৯)। ৪০ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন আরজান নাগসওয়ালা।



বন্ধ করুন