বাংলা নিউজ > ময়দান > ইস্টবেঙ্গলের উপর থেকে ট্রান্সফার ব্যান তুলে নিল ফেডারেশন
ইস্টবেঙ্গল ক্লাব।
ইস্টবেঙ্গল ক্লাব।

ইস্টবেঙ্গলের উপর থেকে ট্রান্সফার ব্যান তুলে নিল ফেডারেশন

  • ট্রান্সফার ব্যান তুলে নেওয়ার জন্য এসসি ইস্টবেঙ্গলের আবেদন জানিয়েছিল। আর তাতেই কাজ হয়েছে।

শেষ পর্যন্ত স্বস্তির নিঃশ্বাস। মঙ্গলবার ইস্টবেঙ্গলের উপর থেকে ট্রান্সফার ব্যান তুলে নিল ফেডারেশন। এ বার নতুন ফুটবলার সই করানোর ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকল না। এসসি ইস্টবেঙ্গলের তরফে ফেডারেশনের অ্যাপিল কমিটির কাছে আবেদন জাানানো হয়েছিল, এই ব্যান তুলে নেওয়ার জন্য। শেষ পর্যন্ত সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে ব্যান তুলে নিল এআইএফএফ-র অ্যাপিল কমিটি।

মূলত ইস্টবেঙ্গল কর্তা এবং ক্লাবের স্পনসরদের মধ্যে ঝামেলার জন্যই শাস্তির মুখে পড়তে চলেছিল শতাব্দী প্রাচীন ক্লাব। গত মরসুমে চুক্তি অনুযায়ী অর্থ না পেয়ে প্রথমে আগের বিনিয়োগকারী সংস্থাকে নোটিশ পাঠিয়েছিলেন পিন্টু মাহাতো, গুরবিন্দর সিং, রক্ষিত ডাগর, আভাস থাপারা। কিন্তু ক্লাবের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ায় তারা এই বকেয়া মেটাতে রাজি হয়নি। আর নতুন বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে চুক্তির আগেই যেহেতু পিন্টুদের সই করানো হয়েছিল, তাই তারাও এই বকেয়া দিতে রাজি হয়নি। বরং শ্রী সিমেন্টের তরফে বলা হয়, ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চুক্তিতে সই না করলে তারা বকেয়া বেতন মেটানোর দায়িত্ব নেবে না। এই মর্মে ফেডারেশনকে তারা চিঠিও দেয়।

সে কারণেই পিন্টুদের বকেয়া মেটানোর দায় পুরোটাই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের উপরেই এসে পড়ে। এ দিকে ইস্টবেঙ্গলও ফুটবলারদের টাকা দেওয়া নিয়ে গড়িমসি করতে থাকে। স্বভাবতই পিন্টুরা ফেডারেশনের দ্বারস্থ হন। কোনও সমাধান না মেলায় আগামী দু'টি রেজিস্ট্রেশান উইন্ডোর জন্য ট্রান্সফার ব্যানের কবলে পড়েছিল ইস্টবেঙ্গল। পরে এসসি ইস্টবেঙ্গলের তরফে ব্যান তোলার জন্য আবেদন করা হলে পারস্পরিক সামঝোতার মাধ্যমে এই ব্যান তুলে নেওয়া হল।

শেষ পর্যন্ত স্বস্তির নিঃশ্বাস। মঙ্গলবার ইস্টবেঙ্গলের উপর থেকে ট্রান্সফার ব্যান তুলে নিল ফেডারেশন। এ বার নতুন ফুটবলার সই করানোর ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকল না। এসসি ইস্টবেঙ্গলের তরফে অ্যাপিল কমিটির কাছে আবেদন জাানানো হয়েছিল, এই ব্যান তুলে নেওয়ার জন্য। শেষ পর্যন্ত সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে ব্যান তুলে নিল এআইএফএফ-র অ্যাপিল কমিটি।

মূলত ইস্টবেঙ্গল কর্তা এবং ক্লাবের স্পনসরদের মধ্যে ঝামেলার জন্যই শাস্তির মুখে পড়তে চলেছিল শতাব্দী প্রাচীন ক্লাব। গত মরসুমে চুক্তি অনুযায়ী অর্থ না পেয়ে প্রথমে আগের বিনিয়োগকারী সংস্থাকে নোটিশ পাঠিয়েছিলেন পিন্টু মাহাতো, গুরবিন্দর সিং, রক্ষিত ডাগর, আভাস থাপারা। কিন্তু ক্লাবের সঙ্গে বিচ্ছেদের অজুহাত দেখিয়ে তারা এই বকেয়া মেটাতে রাজি হননি। পরিষ্কার জানিয়ে দেন, ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চুক্তিতে সই না করলে কোনও ভাবেই তারা এই বকেয়া মেটাবে না। কারণ শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে চুক্তির আগেই পিন্টুদের সই করানো হয়েছিল। তখন দায়িত্বে কোয়েস ছিল। কোয়েসের সঙ্গে চুক্তি ভাঙার সময়ে যাবতীয় দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গল নিজেদের উপর নেয। সেই হিসেবে ফুটবলারদের বকেয়া মেটানোর দায়ও নিয়েছিল তারা।

সে কারণেই পিন্টুদের বকেয়া মেটানোর দায় পুরোটাই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের উপরই বর্তায়। এ দিকে ইস্টবেঙ্গলও ফুটবলারদের টাকা দেওয়া নিয়ে গড়িমসি করতে থাকে। স্বভাবতই পিন্টুরা ফেডারেশনের দ্বারস্থ হন। কোনও সমাধান না মেলায় আগামী দু'টি রেজিস্ট্রেশান উইন্ডোর জন্য ট্রান্সফার ব্যানের কবলে পড়েছিল ইস্টবেঙ্গল। পরে এসসি ইস্টবেঙ্গলের তরফে ব্যান তোলার জন্য আবেদন করা হলে পারস্পরিক সামঝোতার মাধ্যমে এই ব্যান তুলে নেওয়া হল।|#+|

 

বন্ধ করুন