আমাদের জন্য প্রার্থনা করবেন, পাকিস্তানে যাওয়ার আগে টুইট করলেন বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রেহমান। এই নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। তাহলে কী অনিচ্ছা সত্বেও পাকিস্তানে যাচ্ছেন মুস্তাফিজুর? পাকিস্তানে নিরাপত্তা নিয়ে কি প্রশ্ন আছে খেলোয়াড়দের মধ্যে, এই সব বিষয়কে খুঁচিয়ে তুলেছে একটি টুইট।

গত বছরে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সিরিজের মধ্যে দিয়ে এক দশক বাদে টেস্ট ক্রিকেট ফিরেছে পাকিস্তানে। এবার প্রাথমিক ভাবে টেস্ট খেলতে রাজি হয়নি বাংলাদেশ। পরে আইসিসির মধ্যস্থতায় হয় রফা। তিন ভাগে টি২০, টেস্ট ও ওডিআই পাকিস্তানে খেলবে বাংলাদেশ। এক বছরের জন্য ইতিমধ্যেই মাঠের বাইরে শাকিব। নিরাপত্তার উদ্বেগের জন্য পাকিস্তানে যাননি দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। তাই কিছুটা হলেও দুর্বল বাংলাদেশ।

নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিচ্ছে না পাকিস্তান। লাহোরে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে অতিথিদের। দশ হাজার পুলিশ ও আধা-সেনা থাকবেন হোটেেল থেকে স্টেডিয়ামের পথে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য।তবে তাতেও খুব একটা নিরাপদ বোধ করছেন না বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বোলার মুস্তাফিজুর। বুধবার সন্ধ্যেবেলায় তাঁর এই টুইটের পরেই শোরগোল পড়ে যায় নেটিজেনদের মধ্যে। পাকিস্তানিরা প্রতিবাদ করেছেন এই টুইটের বিরুদ্ধে। তাদের দাবি সম্পূর্ণ নিরাপদ পাকিস্তান। স্বাভাবিক ভাবেই খুশি ভারতীয়রা।

মোট তিনটি টি-২০, দুটি টেস্ট ও একটি ওডিআই খেলবে বাংলাদশ। ২৪-২৭ জানুয়ারির মধ্যে টি-২০ সিরিজ হবে। এরপর একটি টেস্ট হবে ফেব্রুয়ারির গোড়ায়। এপ্রিলের শুরুতে ফের ফিরবে বাংলাদেশ একটি ওডিআই ও একটি টেস্টের জন্য। মুশফিকুর ছাড়া কোচিং টিমের পাঁচ সদস্য যাননি পাকিস্তান। ১২ বছর বাদে পাকিস্তান সফরে গিয়েছে বাংলাদেশ।

বন্ধ করুন