বাংলা নিউজ > ময়দান > পেলের সঙ্গে গোয়ার সমুদ্র সৈকতে মাছ ধরলেন সচিন- ভিডিয়ো

পেলের সঙ্গে গোয়ার সমুদ্র সৈকতে মাছ ধরলেন সচিন- ভিডিয়ো

পেলের সঙ্গে মাছ ধরাতে ব্যস্ত সচিন।

গোয়ায় সচিনের সঙ্গে দেখা হয়ে যায় পেলের। পেলের সঙ্গে কী ভাবে দিনটা কাটালেন, সেই ভিডিয়োই পোস্ট করেছেন মাস্টার ব্লাস্টার। যে ভিডিয়ো হুহু করে ভাইরাল হয়েছে।

ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর এবং ব্রাজিলের কিংবদন্তি ক্রিকেটার পেলেকে কে না চেনে। ক্রীড়াজগতে দুই মহান ব্যক্তি। সম্প্রতি গোয়ায় সচিনের সঙ্গে দেখা হয়েছিল পেলের। পেলের সঙ্গে মাছ ধরলেন। লাঞ্চ সারলেন পেলের রেস্তোরাঁয়। কী অবাক হচ্ছেন তো!

আসলে এই পেলে ব্রাজিলের ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার নন। তিনি গোয়ার স্থানীয় মৎস্যজীবী, যাঁর নিজস্ব একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। সচিনের ছেলে অর্জুন তেন্ডুলকর এখন গোয়ার ক্রিকেট টিমে খেলছেন। সেই সূত্রেই সচিনও রয়েছেন গোয়ায়। সেখানেই মৎস্যজীবীদের সঙ্গে দুরন্ত একটি বেলা কাটালেন লিটল মাস্টার।

আরও পড়ুন: ফের ব্রোম্যান্স সুরবীর জুটির, কোহলিকে নিয়ে ফুট কাটলেন পিটারসেন

মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সচিন। সেখানে দেখা গিয়েছে, করঞ্জালেম সমুদ্র সৈকতে মাছ ধরার বিষয়ে সচিন এই মৎস্যজীবীর সঙ্গে নানা কথাবার্তা বলছেন। নৌকা টানতে সাহায্য করছেন। মাছ ধরতেও হাত লাগিয়েছেন। তিনি যে কতটা মাটির মানুষ, সেটা বোঝা গিয়েছে, মৎস্যজীবীজের সঙ্গে তাঁর সহজ-সরল ব্যবহারে। সহজেই তিনি মিশে গিয়েছিলেন গোয়ার স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সঙ্গে। এই ভিডিওটিতে সচিনের ছেলে অর্জুনকেও দেখা গিয়েছে। সচিন তেন্ডুলকর গোয়ার জেলেদের পাশে দাঁড়ানোরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সচিনের অভিজ্ঞতা কী?

তেন্ডুলকর ভিডিয়োতে বলেছেন যে, ‘গোয়ার লোকেরা সামুদ্রিক খাবার উপভোগ করে, তবে এটি ধরা কতটা কঠিন তা কারও ধারণা নেই। জেলেরা নৌকা সমুদ্রের ভেতরে নিয়ে যেতে কত কষ্ট করে, সেটা এই প্রথম দেখলাম।’ সচিনের আন্তরিকতায় উচ্ছ্বসিত হন পেলে। এবং তাঁর রেস্তোরাঁয় নিয়ে গিয়ে সচিনকে লাঞ্চ করান। গাছ থেকে ডাব পেড়ে, ডাবের জল খাওয়ান। সচিনকে কাছে পেয়ে একেবারে উচ্ছ্বাসে ভেসে যান পেলে।

আরও পড়ুন: বাটলারদের উপর রাজত্ব করার আগে ‘ব্রিটিশ রাজে’ নৈশভোজ রোহিতদের

জেলেকে সাহায্য করছেন বিশ্বের এক নম্বর ক্রিকেটার

পেলে বলেছেন, ‘আমি এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান ব্যক্তি। জেলেকে সাহায্য করছেন বিশ্বের এক নম্বর ক্রিকেটার। ঈশ্বর তোমার পরিবারের মঙ্গল করুন। আজ নিজেকে খুব ধনী মনে হচ্ছে।’ পরে পেলের বিচসাইড রেস্তোরাঁয় ছেলে অর্জুনের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মাছের পদ উপভোগ করেন সচিন। এবং তিনি নিজে স্বীকার করেছেন, একটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা হয়েছে তাঁর।

বন্ধ করুন