বাংলা নিউজ > ময়দান > ডিজেল গাড়িতে পেট্রোল! বউকে আনতে যাওয়ার পথে ভয়ঙ্কর কাজ করেছিলেন সচিন
সচিন তেন্ডুলকর। ফাইল ছবি

ডিজেল গাড়িতে পেট্রোল! বউকে আনতে যাওয়ার পথে ভয়ঙ্কর কাজ করেছিলেন সচিন

  • গৌরব কাপুরকে এক সাক্ষাৎকারে সচিন জানিয়েছেন তিনি এবং তার বন্ধু একবার হিথরো বিমানবন্দর থেকে স্ত্রী অঞ্জলিকে ফেরত আনতে যাওয়ার সময়তেই এই ঘটনা ঘটে।

শুভব্রত মুখার্জি: ক্রিকেট খেলাটার প্রতি কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরের রয়েছে গভীর ভালোবাসা। সে কথা জানেন না এমন ক্রিকেট সমর্থক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তবে সচিন তেন্ডুলকরের আরও একটি ভালোবাসার বিষয় রয়েছে। আর তা হল রেসিং কার ড্রাইভ করা। এই ভালোবাসার বিষয়টি কিছু লোকের কাছে অজানা তো বটেই।

এবার জীবনের সেই ভালোবাসা নিয়েই এক অজানা ছোট্ট কাহিনি শোনালেন ৪৯ বছর বয়সি তারকা ক্রিকেটার। ইংল্যান্ডের হিথরো বিমানবন্দর থেকে একবার অঞ্জলি তেন্ডুলকরকে আনতে যাওয়ার সময়তে নাকি তার গাড়ির গতি কিছুতেই ২৫ মাইল/ঘণ্টার বেশি উঠছিল না। অ্যাক্সিলেটর চাপলেও গতি বাড়ছিল না। যা দেখে বেশ হতবাক হয়েছিলেন তিনি। এই ঘটনার নেপথ্য মজার কারণটি খোলসা করেছেন মাস্টার ব্লাস্টার্স।

গৌরব কাপুরকে এক সাক্ষাৎকারে সচিন জানিয়েছেন তিনি এবং তার বন্ধু একবার হিথরো বিমানবন্দর থেকে স্ত্রী অঞ্জলিকে ফেরত আনতে যাওয়ার সময়তেই এই ঘটনা ঘটে। সচিন জানিয়েছেন 'আমার কাছে ব্যাট যেমন আমার হাতের একটা বিস্তৃত অংশ ঠিক তেমনভাবে গাড়ি হল আমার ভাবনা চিন্তার বিস্তৃত অংশ। অঞ্জলি তখন প্রায় লন্ডনে ল্যান্ড করতে চলেছে। আমি এবং আমার বন্ধু গাড়িতেই ছিলাম। আমরা লক্ষ্য করি যে গাড়ির তেল প্রায় শেষ হয়ে এসেছে তা দেখা যাচ্ছে ডিসপ্লেতে। জ্বালানীর ট্যাঙ্ক প্রায় খালি ছিল। তাই আমরা তাড়াতাড়ি চলছ যাই এবং গিয়ে তেল ভরিয়েনি। কিন্তু তারপর যখন আমরা এয়ারপোর্ট যাচ্ছিলাম আমরা লক্ষ্য করি গাড়ির গতিবেগ ২৫ মাইল/ঘণ্টার বেশি বাড়ছেই না। বিষয়টা হতবাক করার ছিল।'

তিনি আরও যোগ করেন 'এরপরে আমরা বুঝতে পারি যে আমরা ডিজেলচালিত গাড়িতে পেট্রোল ভরে ফেলেছি। হিথরো বিমানবন্দরের বাইরে আমরা এক ঘণ্টা গাড়িতে বসে ছিলাম। আমি গাড়ির অ্যাক্সিলেটরটা আস্তে করে চেপে ধরেছিলাম। যাতে করে বাড়ি ফেরার আগে গাড়ির স্টার্টটা বন্ধ না হয়ে যায়।'

বন্ধ করুন