সচিনের ফিটনেস ট্রেনিং। ছবি- গেটি ইমেজেস।
সচিনের ফিটনেস ট্রেনিং। ছবি- গেটি ইমেজেস।

কীভাবে ফিট থাকতেন সচিনরা, হদিশ দিলেন বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের ট্রেনার

  • ফিট থাকতে হলে সবসময় ওয়েট ট্রেনিং করতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।

লকডাউনের সময় বাড়িতে আটকে থাকা অ্যাথলিটদের চিন্তার প্রধান বিষয় অবশ্যই ফিটনেস। প্রথমত, বাড়ির স্বল্প পরিসরে আউটডোর ট্রেনিং করার সুযোগ সবার সামনে নেই। দ্বিতীয়ত, জিম করার মতো উপকরণ বা পরিকাঠামোও নিতান্ত হাতে গোনা কয়েকজন অ্যাথলিটের বাড়িতেই রয়েছে। এই অবস্থায় টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ট্রেনার রামজি শ্রীনিবাসন জানালেন, বাড়িতে থেকেও নিজেকে পুরোপুরি ফিট রাখা মোটেও অসম্ভব নয়। বরং তা এমন কিছু কঠিন কাজও নয়।

রামজি মনে করেন, ফিট থাকতে হলে সবসময় ওয়েট ট্রেনিং করতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। এক্ষেত্রে তিনি সচিন, সেহওয়াগ, ধোনি ও রোহিত শর্মার উদাহরণ দেন। তিনি স্পষ্ট জানান যে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের ট্রেনার থাকার সময় তিনি সচিন, সেহওয়াগ, ধোনি, রোহিতদের ওয়েট ট্রেনিংয়ের প্রতি মোহ দেখেননি।

একই কথা প্রযোজ্য রবীন্দ্র জাদেজা, জাহির খানদের ক্ষেত্রেও। রামজির মতে, ফিট থাকতে নিজের শরীরকে বোঝা প্রয়োজন। বিশেষ করে শরীরের কোন অঙ্গের কী প্রয়োজন সেটা অনুভব করতে হয়। একজনের ক্ষেত্রে যেটা কার্যকরী, অন্যের ক্ষেত্রে সেটা নাও হতে পারে। ফিটনেস ট্রেনিংয়ের কোনও সর্বজনগ্রাহ্য উপায় নেই।

২০১১ বিশ্বকাপ ও ২০১৩ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী ভারতীয় দলের ট্রেনার বলেন, সচিন কব্জি ও কাঁধের শক্তির দিকে নজর দিতেন। ধোনির ফিটনেস সহজাত। সেহওয়াগ, রোহিতরাও জিম করতেন বটে, তবে তাঁদের সূচিতে ওয়েট ট্রেনিং ছিল নামমাত্র। দলের সব থেকে ফিট ক্রিকেটার জাদেজা দৌড়ের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। জাদেজা জিমে গিয়ে প্রাথমিক কসরৎ করতেন। কখনই হেভি ওয়েট ট্রেনিংয়ে নজর দিতেন না। জাহির খান নিজের শরীরকে সবথেকে ভালো বুঝতেন। সেই মতো হালকা ট্রেনিং করতেন তিনি।

বন্ধ করুন