বাড়ি > ময়দান > মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে ফুটবল নয়, ভারতে খেলা শুরুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত
AIFF-এর জেনারেল সেক্রেটারি কুশল দাস। ছবি- হিন্দুস্তান টাইমস।
AIFF-এর জেনারেল সেক্রেটারি কুশল দাস। ছবি- হিন্দুস্তান টাইমস।

মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে ফুটবল নয়, ভারতে খেলা শুরুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত

  • কাতারের বিরুদ্ধে ভারতের বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার নির্ভর করছে সরকারি অনুমতির উপর।

করোনা মহামারির জন্য বিশ্বজুড়ে থমকে ছিল খেলাধুলো। ফিফার গাইডলাইন ও স্থানীয় প্রসাশনিক নির্দেশিকা মেনে করোনা মহামারির মাঝেই শুরু হয়েছে ফুটবল। ইউরোপের বড় লিগগুলি এখনও পর্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে লিগ শেষ করার দিকে এগিয়ে চলেছে।

ভারতে ফুটবল মরশুম শেষ হয়েছে মাঝপথেই। আই লিগের বেশ কিছু ম্যাচ বাকি থাকলেও মোহনবাগানকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে টুর্নামেন্ট বাতিল ঘোষণা করেছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। যদিও আইএসএল শেষ হয়েছিল সূচি অনুযায়ী।

ভারতে ঘরোয়া লিগের আগে প্রাক মরশুম প্রস্তুতি শুরু হয় সচারাচ জুলাইয়ের শেষ দিকে অথবা অগস্টের শুরুতেই। এবার সেই উদ্যোগ চোখে পড়ছে না এতটুকু। লকডাউন ধীরে ধীরে শিথিল হলেও ফুটবল-সহ সব খেলাধুলোই এদেশে এখনও থমকে রয়েছে।

এই অবস্থায় অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি কুশল দাস হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিনিধিকে জানান ভারতে ফুটবল ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে তাঁদের ভাবনা-চিন্তার কথা। তাঁর স্পষ্ট মত, নিরাপত্তা ও মানুষের জীবন গুরুত্ব পাবে সবার আগে। ফুটবল মরশুম শুরু করা হবে সঠিক পরিস্থিতিতে এবং ফিফার ও সরকারের নির্দেশিকা মেনে।

কুশল দাস বলেন, ‘ফুটবলে খেলোয়াড়দের শারীরক সংযোগ হতে বাধ্য। বডি-কন্টাক্ট খেলার জন্য বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা বাধ্যতামূলক। লকডাউনের পর ফুটবল শুরুর বিষয়ে ফিফা গাইডলাইন জারি করেছে। কিছু নিয়ম পরিবর্তনও করেছে সাময়িকভাবে। এথনও পর্যন্ত যে সব লিগ শুরু হয়েছে, আমরা নজর রাখছি সেগুলির উপর। প্রথম দিন থেকেই আমরা সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলেছি। যখন সবুজ সংকেত দেওয়া হব, তার পরেই ফুটবল শুরুর উদ্যোগ নেব আমরা।’

এআইএফএফ-এর জেনারেল সেক্রেটারি ইঙ্গিত দেন যে, আইএসএল ও আই লিগের আগে ভারতে খালি গ্যালারিতে কিছু ফুটবল ম্যাচ আয়োজিত হতে পারে। তবে সবটাই নির্ভর করছে পরিস্থিতি ও সরকারি অনুমতির উপর। 

কুশল দাস বলেন, ‘এএফসির সূচি অনুযায়ী কাতারের বিরুদ্ধে ভারতের বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অক্টোবরে খেলা হওয়ার কথা। তবে সেটাও সরকারি অনুমতি ছাড়া আয়োজন করা সম্ভব নয়। আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। আমাদের কাছে সবথেকে গুরুত্ব পাবে নিরাপত্তা ও মানুষের জীবন।’

শেষে অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে কুশল দাস বলেন, ‘ফিফার সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। টুর্নামেন্ট নভেম্বর থেকে পিছিয়ে নতুন বছরের শুরুতেই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে হাতে বেশ কয়েক মাস সময় রয়েছে। আশা করি ততদিনে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। এত আগে থেকে বলা সম্ভব নয়, টুর্নামেন্ট খালি গ্যালারিতে হবে, নাকি দর্শকদের মাঠে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে। তবে এটা ঠিক যে, বিশ্বকাপ ভারতের মেয়েদের ফুটবলকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।’

বন্ধ করুন