বাড়ি > ময়দান > ব্যাটে-বলে দাপট ভারতের, ৭ উইকেটে জয় বিরাট বাহিনীর

বেশিরভাগ কাজটা বোলাররাই করে দিয়েছিলেন। বাকি যেটুকু ছিল, তা সহজেই করে ফেললেন ব্যাটসম্যানরা। যার নিটফল, শ্রীলঙ্কাকে সাত উইকেটে দুরমুশ করল ভারত। ফলে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্

আজ ইন্দোরে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। শুরুটা মন্দ করেননি দুই লঙ্কা ব্যাটসম্যান। ছোটোখাটো পার্টনারশিপ ভালোই এগোচ্ছিল। সেই সময় শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ধাক্কা দেন ওয়াশিংটন সুন্দর। আউট করেন অভিশকা ফার্নান্দোকে। অপর ওপেনার ধানুষ্কা গুনাথিলাকা জমাটি দেখালেও কিছুক্ষণ পর নভদীপ সাইনির দুর্দান্ত ইয়র্কারে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। স্পিডোমিটারে তখন দেখাচ্ছে ১৪৭.৫ কিলোমিটার।

১২ তম ওভারে কুলদীপ যাদবের হাতে বল দেন বিরাট। চায়নাম্যানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নেওয়ার চেষ্টা করে শ্রীলঙ্কা। প্রথম বলেই স্টেপ আউট করে কুলদীপকে মাঠের বাইরে ফেলেন ওশাদা ফার্নান্দো। পরের বলেও একইরকমভাবে খেলতে গিয়ে কুলদীপের গুগলির কাছে ধোঁকা খান। সহজ স্টাম্পিং করেন ঋষভ পন্থ।

তারপর শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা রান তোলার চেষ্টা করলেও বড় কোনও পার্টনারশিপ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হন। বরং ভারতের শৃঙ্খলবদ্ধ বোলিংয়ের ফলে ১৪২ রানের বেশি তুলতে পারেননি লাসিথ মালিঙ্গারা। ভারতের হয়ে তিনটি উইকেট নেন শার্দুল। দুটি করে উইকেট তোলেন নভদীপ ও কুলদীপ। একটি করে উইকেট নেন বুমরা ও ওয়াশিংটন।

ইন্দোরের পিচে ১৪৩ রান তাড়া করা বড় বিষয় ছিল না। তার উপর শিশিরের কারণে রান ডিফেন্ড করা শ্রীলঙ্কার কাছে বড়সড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সেজন্য দুই ভারতীয় ওপেনারকে তাড়াতাড়ি ফেরাত হত। কিন্তু তা হতে দেননি লোকেশ রাহুল ও শিখর ধাওয়ান। রোহিত শর্মা অনুপস্থিতিতে নিজেকে প্রমাণ করার বড় পরীক্ষা ছিল ধাওয়ানের। ২৯ বলে ৩২ রান করলেও তা একেবারেই গব্বর সুলভ ছিল না। বরং ছন্দে ছিলেন রাহুল। ৩২ বলে ৪৫ রান করেন তিনি।

রাহুল আউট হওয়ার পর শ্রেয়স আইয়ারকে পাঠান বিরাট। অধিনায়কের ভরসার মর্যাদা রাখেন তিনি। ২৬ বলে ৩৪ রান করে আউট হন তিনি। বাকি রান সহজেই তুলে নেন বিরাট ও পন্থ। ১৭ বলে ৩০ রান করেন বিরাট। ১৫ বল থাকতেই ম্যাচ জেতে ভারত। চার ওভারে মাত্র ১৮ রান দু'উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন নভদীপ।





বন্ধ করুন