বাংলা নিউজ > ময়দান > দশ বছর আগে মন ভেঙেছিল কোহলির, তার খেসারত এখন দিচ্ছেন KKR-এর বরুণ!
বিরাট কোহলির সঙ্গে অনুশীলনে পন্ত। ছবি: রয়টার্স (REUTERS)
বিরাট কোহলির সঙ্গে অনুশীলনে পন্ত। ছবি: রয়টার্স (REUTERS)

দশ বছর আগে মন ভেঙেছিল কোহলির, তার খেসারত এখন দিচ্ছেন KKR-এর বরুণ!

  • ফিটনেসের উপর চূড়ান্ত জোর দেন বিরাট কোহলি। যত ভাল ক্রিকেটারই হোক না কেন, ফিটনেস টেস্টে উত্তীর্ণ হতে না পারলে, এই মুহূর্তে ভারতীয় দলে সেই প্লেয়ারের জায়গা হবে না। ফিটনেস নিয়ে বিরাটের চূড়ান্ত আবেগের আসল কারণ কী, সেই রহস্য উন্মোচন করেছেন বীরেন্দ্র সেহওয়াগ।

নিজের ফিটনেস ধরে রাখার জন্য জীবন থেকে প্রিয় অনেক কিছুই বাদ দিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাঁর পছন্দের খাবারগুলিও ছেটে ফেলেছেন। ফিটনেস নিয়ে চূড়ান্ত খুঁতখুঁতে ভারত অধিনায়ক। আর এর পিছনে রয়েছে দশ বছর আগের একটি ঘটনা। আর সেই ঘটনাকে সামনে নিয়ে এসেছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং এক সময়ে কোহলির সতীর্থ বীরেন্দ্র সেহওয়াগ।

প্রায় দশ বছর আগে ২০১১-’১২ সালে ভারতীয় দল ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিল। সেই সময়ে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমের দেওয়ালে কাউন্টি ক্রিকেট টিমগুলির ফিটনেসের তালিকা লাগানো ছিল। সেটা দেখে উৎফুল্লও হয়েছিল ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা। তারা সেই মাপকাঠি মেনে ফিটনেস টেস্ট দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই ফিটনেসের চূড়ান্ত মাপকাঠি পার করতে পারেননি তখনকার সময়ে ভারতীয় দলের অর্ধেকের বেশি ক্রিকেটার। সেই ঘটনার পরেই নাকি কোহলি মারাত্মক মুষড়ে পড়েছিলেন। তার পর থেকেই নিজের ফিটনেসের উপর জোর দিতে শুরু করেন ভারত অধিনায়ক। বর্তমান ভারতীয় দলের জন্য সেই দশ বছর আগে কোহলির দেখা কাউন্টি ক্রিকেটারদের  ফিটনেসের মাপকাঠিই এখন চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বীরেন্দ্র সেহওয়াগ বলছিলেন, ‘২০১১-’১২ সালের ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিলাম আমরা। সেই সফরে আমি দু’টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলাম। ওভাল এবং বার্মিংহ্যামে। সেই সময়ে সেখানকার ড্রেসিংরুমে কাউন্টি ক্রিকেটারদের ফিটনেসের তালিকা লাগানো ছিল। যাতে তাঁদের ফিটনেসের চূড়ান্ত মাপকাঠির উল্লেখ ছিল। আমার মনে হয়, বর্তমান ভারতীয় দলের ফিটনেসের মাপকাঠি সেখান থেকেই ঠিক করা হয়েছে।’ এর সঙ্গেই বীরু যোগ করেন, ‘সেই ফিটনেসের তালিকা দেখে আমরা যখন সেই লেভেলের ফিটনেস টেস্ট শুরু করি, অর্ধেকের বেশি ক্রিকেটারই ব্যর্থ হয়েছিলাম। সেই সময়ে কোহলির মন ভেঙে গিয়েছিল। আমার মনে হয়, সেখান থেকেই বিরাট শিক্ষা নিয়েছিল। যদি ইংল্যান্ড ফিটনেসের ওই মাপকাঠি মেনে চলতে পারে, তা হলে আমরাও পারব, সেই ভাবনাও এসেছিল। যে কারণে বিরাট ভারত অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই ভারতীয় দলে ফিটেনেসের বিষয়ে মারাত্মক জোর দেওয়া শুরু হয়।’

কিছুদিন আগেই বিরাট বলেছিলেন, যত ভাল পারফরম্যান্স থাকুক, যত বড় ক্রিকেটার হন না কেন, ফিটনেস না থাকলে ভারতীয় দলে জায়গা হবে না। উল্লেখ্য, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে রাহুল তেওটিয়া এবং বরুণ চক্রবর্তী ফিটনেস টেস্টে ব্যর্থ হন। এই বিষয়টা একেবারেই পছন্দ হয়নি ভারত-অধিনায়কের। কোহলি ফিটনেসে এত জোর দেওয়া সত্ত্বেও ভারতীয় দলে মিস ফ্লিডিং হচ্ছে। ক্যাচও মিস হচ্ছে। সম্প্রতি অধিনায়ক নিজেও ক্যাচ ফেলেছেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হারের জন্য কোহলি খারাপ ফিল্ডিংকেও দায়ী করেছেন।

বন্ধ করুন