বাংলা নিউজ > ময়দান > টাইব্রেকারে সালাহর মিশরকে হারিয়ে বিশ্বকাপের মূলপর্বে মানের সেনেগল

টাইব্রেকারে সালাহর মিশরকে হারিয়ে বিশ্বকাপের মূলপর্বে মানের সেনেগল

বিশ্বকাপের মূলপর্বে মানের সেনেগল (AP)

ডায়ামিনিয়া ডিওয়ে ভারতীয় সময় মঙ্গলবার রাতে বাছাইয়ে প্লে-অফের ফিরতি লেগে টাইব্রেকারে ৩-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করল সেনেগল।

শুভব্রত মুখার্জি: আফ্রিকান নেশন্স কাপ থেকে বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ার টাইব্রেকারের দুঃস্বপ্ন যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ল না লিভারপুল তারকা মহম্মদ সালাহর মিশরকে। আজ থেকে মাস দুয়েক আগে টাইব্রেকারে হেরে আফ্রিকান নেশন্স কাপ থেকে কার্যত খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল মিশরকে। এবার ফের সেই একই প্রতিপক্ষের কাছে একই রকম পেনাল্টি শুটআউট বা বলা‌ ভাল এক চিত্রনাট্যের পেনাল্টি শুট আউটে হারতে হল মিশরকে। টাইব্রেকারের দুর্ভাগ্য তাড়া করল মহম্মদ সালাহ এবং তার সতীর্থদের। ফলে কাতার বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবল বিশ্ব দেখতে পাবে না সালাহর মতন তারকা ফুটবলারকে।

ডায়ামিনিয়া ডিওয়ে ভারতীয় সময় মঙ্গলবার রাতে বাছাইয়ে প্লে-অফের ফিরতি লেগে টাইব্রেকারে ৩-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত করল সেনেগল। প্রথম লেগে মিশর ১-০ গোলে জিতেছিল। আর মঙ্গলবার রাতে স্বাগতিকরা একই ব্যবধানে ম্যাচ জেতে। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ১-১। ফলে বিশ্বকাপের মূলপর্বের টিকিট নিশ্চিত করতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

পেনাল্টি শুট আউটে দুই দলের নেওয়া প্রথম চার শটে একটিও গোল হয়নি। ব্যর্থতার সেই তালিকায় ছিলেন মিশরীয় তারকা ফুটবলার সালাহ স্বয়ং। সেনেগল তাদের পরবর্তী তিনটি শটের সবকটিতেই গোল করতে সক্ষম হয়। কিন্তু মিশর তৃতীয় শটে গোল পেলেও চতুর্থ শটে ফের ব্যর্থ হয়। ফলে সেনেগলের হয়ে পঞ্চম শটে মানে গোলের ঠিকানা খুঁজে পাওয়ার পরেই জয় নিশ্চিত হয়ে যায় আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নদের।

জয়ের ফলে টানা দ্বিতীয় ও এই নিয়ে মোট তৃতীয়বার বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠল সেনেগল। বিশ্বকাপে তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য এসেছিল ২০০২ সালে। সেবার সবাইকে অবাক করে দিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠেছিল তারা। সেখানে উরুগুয়ের কাছে তাদের হারতে হয়েছিল। এদিন সেনেগলের বুলায়ে দিয়া ম্যাচ শুরুর চতুর্থ মিনিটেই প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করে এগিয়ে দিয়েছিলেন দলকে। এরপর আর ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে কোনও ফিল্ড গোল হয়নি। ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে গোলের উদ্দেশ্যে সেনেগল নিয়েছিল ২৫টি শট। যার মধ্যে ৯টি ছিল লক্ষ্যে। জবাবে মিশর গোল লক্ষ্য করে ৫টি শট নিয়েছিল যার মধ্যে একটিই মাত্র লক্ষ্যে ছিল।

অন্যদিকে নাইজেরিয়া বনাম ঘানা ম্যাচে অ্যাওয়ে গোলের নিয়মটিই ব্যবধান গড়ে দিল এই দুই দলের মধ্যে। ঘানার মাঠে প্রথম লেগ গোলশূন্য ড্র হয়েছিল। ফিরতি লেগে, নাইজেরিয়ার হোম ম্যাচ ছিল। ম্যাচের দশম মিনিটেই টমাস পার্টির গোলে এগিয়ে যায় ঘানা। ১২ মিনিট পর তাদের করা আত্মঘাতী গোলে লড়াইয়ে ফেরে নাইজেরিয়া। ম্যাচের বাকি সময়ে স্কোরলাইনে ওই ১-১ সমতা ধরে রেখে প্রতিপক্ষের মাঠে গোল করার সুবাদে কাতারের বিশ্বকাপের মূলপর্বের টিকিট নিশ্চিত করে ঘানা। প্রসঙ্গত ২০০৬-২০১৪ পর্যন্ত টানা তিন আসরে খেলার পর রাশিয়া বিশ্বকাপে সুযোগ পায়নি তারা। এবার ফের বিশ্বমঞ্চে মূলপর্বে ফিরছে তারা।

বন্ধ করুন