বাংলা নিউজ > ময়দান > প্রথমে ব্রাত্য হলেও, পরে হন ওয়ার্নের ডান-হাত, প্রথম আইপিএলের কাহিনি জানালেন তনভীর
শেন ওয়ার্নের সঙ্গে আইপিএলের প্রথম ‘পার্পল ক্যাপ’ বিজয়ী সোহেল তনভীর।

প্রথমে ব্রাত্য হলেও, পরে হন ওয়ার্নের ডান-হাত, প্রথম আইপিএলের কাহিনি জানালেন তনভীর

  • আইপিএলের প্রথম মরশুমে ২২ উইকেট নিয়ে ‘পার্পল ক্যাপ’ জিতেছিলেন তনভীর।

এবারের আইপিএলের ফাইনালে উঠেও খেতাব জিততে ব্যর্থ হয়েছে রাজস্থান রয়্যালস। তবে ২০০৮ সালে তারা বিশেষজ্ঞদের একেবারে ভুল প্রমাণিত করে জিতে নিয়েছিল খেতাব। সেই দলের দায়িত্বে ছিলেন কিংবদন্তি শেন ওয়ার্ন। অজি তারকার এ বছরই প্রয়াত হয়েছেন। রাজস্থান ফাইনালে পৌঁছনোর পর স্বাভাবিকভাবেই আবার ২০০৮ সালের নান স্মৃতি সামনে উঠে আসছে।

এ বারের ফাইনালে ২০০৮ সালে আইপিএল জয়ী তারকাদের আমন্ত্রণও জানিয়েছিল রাজস্থান। সকলেই শেন ওয়ার্নের সঙ্গে নিজেদের স্মৃতি ভাগ করে নেয়। সেই আইপিলজয়ী দলের সদস্য ছিলেন পাকিস্তানের সোহেল তনভীরও। ১১ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে সেই মরশুমে সর্বোচ্চ উইকেটসংগ্রাহক হয়েছিলেন তিনি। তনভীরও ওইবারের আইপিএল মরশুমে শেন ওয়ার্নের সঙ্গে তাঁর স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছেন। কীভাবে ধীরে ধীরে তিনি ওয়ার্নের ভরসা জিতে দলের প্রধান বোলার হয়ে উঠেন সেই গল্প জানালেন পাক তারকা।

আরও পড়ুন:- অনন্য উপায়ে কিংবদন্তি শেন ওয়ার্নকে শ্রদ্ধার্ঘ্য রাজস্থান রয়্যালসের

Capital TV-কে এক সাক্ষাতকারে তনভীর বলেন, ‘আমি পাকিস্তানে থাকাকালীন দলের ম্যানেজার আমায় জানান যে শেন ওয়ার্ন বলেছে আমায় সেই মুহূর্তে দলের দরকার নেই। প্রয়োজন হলে আমায় ফোন করা হবে। কিন্তু দলের মালিক আমায় ফোনে জানান সকলকেই একসঙ্গে দলে যোগ দিতে হবে। তারপর আমি হায়দ্রাবাদে উড়ে যাই এবং পরের দিন সকালে ব্রেকফাস্টে শেন ওয়ার্নের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়। ও আমায় জানায়, যেহেতু আমি সদ্য পৌঁছেছি, তাই ওইদিনের ম্যাচে নিশ্চিতভাবেই সুযোগ পাব না। তবে পরের ম্যাচগুলিতে আমায় খেলাবে কিনা ভেবে দেখবে।’

আরও পড়ুন:- জাদেজা আর পাঠানকে অভিনব শাস্তি দিয়েছিলেন ওয়ার্ন, স্মৃতির পাতা ওল্টালেন পাক তারকা

তবে এই ঘটনার পরে এক অনুশীলনে বেশ ভাল বল করার পরেই দলে সুযোগ পান তনভীর। তারপর ম্যাচের পর ম্যাচ পারফর্ম করে হয়ে উঠেন ওয়ার্নের ‘গো-টু’ বোলার। ‘ওয়ার্ন ওই বছরের আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে নিয়েছিলেন। তিনি খেলা তখন তেমন ফলো করতেন না হয়তো, তাই আমার খেলা দেখেননি। আমরা ব্যাঙ্গালোরে পৌঁছনোর পর নেটে ওঁ আমার বোলিং দেখে আমায় প্রস্তুত থাকতে বলে। পরের ম্যাচে আমি ভাল বল করে ২৬ রানে দুই উইকেট নিই। ওই ম্যাচের পর ওঁ আমার কাছে এসে সোজা জানায়, তুমিই আমার গো-টু ম্যান। সুতরাং, প্রথমে আমায় দলে না চাইলেও পরে পারফর্ম করে আমি ওর ধারণা বদলে দিয়ে গো-টু ম্যান হয়ে যাই। আমি গোটা আইপিএলে ও অনেক আত্মবিশ্বাস জোগায়।’ বলে জানান তনভীর।

বন্ধ করুন