বাংলা নিউজ > ময়দান > 'ভারতীয় ক্রিকেটকে ধ্বংস করছেন সৌরভ', বিরাটের অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর তোপ নেটিজেনদের
বিরাট কোহলি এবং সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি)
বিরাট কোহলি এবং সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। (ফাইল ছবি)

'ভারতীয় ক্রিকেটকে ধ্বংস করছেন সৌরভ', বিরাটের অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর তোপ নেটিজেনদের

  • অনেকে তো আবার বলতে থাকেন, গ্রেপ চ্যাপেলই সৌরভের বিষয়ে ঠিক কথা বলেছিলেন।

বিরাট কোহলি টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণের মুখে পড়লেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। নেটিজেনদের একাংশের দাবি, ভারতীয় ক্রিকেটকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন সৌরভ এবং বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। সৌরভকে তো ভারতের সবথেকে বড় রাজনীতিবিদ বলেও আক্রমণ করা হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরদিনই ভারতীয় দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা করেন বিরাট। যিনি পরিসংখ্যানের বিচারে টেস্টের ইতিহাসে ভারতের সবথেকে সফল অধিনায়ক। তাঁর সেই সিদ্ধান্তে নেটিজেনদের একাংশের যাবতীয় রাগ গিয়ে পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সৌরভ এবং বোর্ড সচিব জয়ের উপর। এক নেটিজেন সৌরভের উদ্দেশে বলেন, ‘(কোহলি) ভারতের সেরা টেস্ট অধিনায়ক। আমি কোহলির ভক্তও নয়। সৌরভ এবং বিসিসিআইয়ের লজ্জা লাগা উচিত। ধন্যবাদ কিং (পড়ুন বিরাট)।’ অপর একজন বলেন, 'সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরাট কোহলি নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। ভারতের সবথেকে অতিরঞ্জিত অধিনায়ক এবং সবথেকে অকাজের বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হলেন (সৌরভ)।'  অপর একজন বলেন, 'ক্রিকেটের অনুরাগী হিসেবে, ভারতীয় ক্রিকেটকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জয় শাহকে কোনওদিন ক্ষমা করতে পারব না।' অনেকে তো আবার বলতে থাকেন, গ্রেপ চ্যাপেলই সৌরভের বিষয়ে ঠিক কথা বলেছিলেন।

কিন্তু সৌরভের উপর কেন ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন নেটিজেনদের একাংশ? গত বছরের ডিসেম্বরে বিরাটকে একদিনের ক্রিকেটে ভারতীয় দলের অধিনায়কের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে বিসিসিআই। তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরদিনই সৌরভ দাবি করেছিলেন, 'বিসিসিআই এবং নির্বাচকরা মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আসলে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব না ছাড়ার জন্য বিরাটকে অনুরোধ করেছিল বিসিসিআই। কিন্তু ও সেটায় রাজি হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে সাদা বলের দুটি ফর্ম্যাটে দু'জন ভিন্ন অধিনায়ক রাখাটা ঠিক হবে বলে মনে করেননি নির্বাচকরা।’ সঙ্গে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট দাবি করেছিলেন, একদিনের ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব নিয়ে বিরাটের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা হয়েছে। তবে কী কথা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানাননি সৌরভ। কয়েকদিন পরেই বিরাট বলেছিলেন, ‘যখন আমি বিসিসিআইকে বলি যে আমি টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়তে চাই, তখন তা ভালোভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল। কোনওরকম দ্বিধাবোধ ছিল না। আমায় বলা হয় যে এটা প্রগতিশীল পদক্ষেপ। সেই সময় জানিয়েছিলাম যে আমি একদিনের ক্রিকেট এবং টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দিতে চাই না। আমার তরফে বার্তা স্পষ্ট ছিল। আমি এটাও জানিয়েছিলাম, বিসিসিআই কর্তা এবং নির্বাচকরা যদি মনে করেন যে অন্য ফর্ম্যাটে আমার নেতৃত্ব দেওয়া উচিত নয়, সেটাও ঠিক আছে।’ বিরাটের সেই মন্তব্যের পরই তোপের মুখে পড়েছিলেন সৌরভ। এবার বিরাট অধিনায়কত্ব ছাড়ার পিছনে সৌরভের হাত দেখতে পাচ্ছেন নেটিজেনদের একাংশ।

বন্ধ করুন