বাংলা নিউজ > ময়দান > ২ ওভারে চাই ১১৯, বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে আজব টার্গেট, সিরিজ জিতল তামিম ইকবালরা
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের।
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের।

২ ওভারে চাই ১১৯, বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে আজব টার্গেট, সিরিজ জিতল তামিম ইকবালরা

  • বাংলাদেশের ২৪৬ রান তাড়া করতে নেমে ১২২ রানে ৯ উইকেট তারা হারিয়ে বসেছিল।

শ্রীলঙ্কার বড় প্রতিপক্ষ এ দিন বাংলাদেশ ছিল না। ছিল ইয়াস। তার জেরেই অঝোর বৃষ্টি। বারবার খেলা বন্ধ করতে হল। ডাকওয়ার্থ-লুইসের জটিল নিয়মের জেরেই মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ হাতছাড়া হয় শ্রীলঙ্কার।

এমন ঘটনা ২২ গজে আকছার ঘটে। বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ না থাকলেও এই ম্যাচ শ্রীলঙ্কার হেরে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল। কারণ বাংলাদেশের ২৪৬ রান তাড়া করতে নেমে ১২২ রানে ৯ উইকেট তারা হারিয়ে বসেছিল। কিন্তু ১৯৯২-এর আইসিসি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের যন্ত্রণাটা বোধহয় দক্ষিণ আফ্রিকা এখনও ভুলতে পারেননি। শুধুমাত্র বৃষ্টির কারণে ম্যাচটা তাদের হাতছাড়া হয়েছিল।

প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড ৪৫ ওভারে ২৫২ রান করেছিল। বৃষ্টির জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাট করতে নামার আগেই ডাকওয়ার্থ লুইসের নিয়মে তাদের সামনে টার্গেট হয় ৪৫ ওভারে ২৭৩ রান। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাট করতে নেমে যখন ৪২.৫ ওভারে ৬ উইকেটে ২৩১ রান করে ফেলেছিল। তখন ফের বৃষ্টি শুরু হলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। এর পরে সেই ডাকওয়ার্থ-লুইসের নিয়মে ৪৩ ওভারে ২৫৭ রানের টার্গেট দেওয়া হয় দক্ষিণ আফ্রিকাকে। মানে ১ বলে ২৬ রান দরকার ছিল। ম্যাচ হেরেই নিয়ম রক্ষা করতে বাকি থাকা ১ বল খেলতে নেমেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। যেমন এ দিন শ্রীলঙ্কাকে নামতে হয়েছিল।

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৪৮.১ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান তুলেছিল। মুসফিকুর রহিম ১২৭ বলে ১২৫ রান করেন। যদিও বৃষ্টির জন্য বারবার খেলা বন্ধ রাখতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের শতরান হাতছাড়া করেননি মুসফিকুর। তবে বাংলাদেশের ২৪৬ রানের জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই ল্যাজেগোবরে দশা হয় শ্রীলঙ্কার। ১২২ রানে ৯ উইকেট তারা হারিয়ে বসে থাকে। এখান থেকে তাদের ম্যাচ জেতাটা এমনিতেই কঠিন হয়ে গিয়েছিল। গোদের উপর বিষফোঁড়া আবার ইয়াসের প্রভাব। ইয়াসের জেরে বাংলাদেশে বেশ ভালই বৃষ্টি হচ্ছে। যার জেরে মঙ্গলবার বারবার ম্যাচ বন্ধও রাখতে হয়েছে।

শ্রীলঙ্কার যখন ৩৮ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৬ রান। তখন বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। তার পর খেলা শুরু হলে ১০ ওভার কমিয়ে দেওয়া হয়। ৫০ ওভারের ম্যাচের বদলে ৪০ ওভারে নামিয়ে নিয়ে আনা হয়। ডাকওয়ার্থ-লুইসের নিয়মে শ্রীলঙ্কার সামনে লক্ষ্য দেওয়া হয় ২ ওভারে ১১৯ রান। যেটা তাদের পক্ষে করা সম্ভবই ছিল না। স্বভাবতই খুব সহজেই ১০৩ রানে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে পুড়ে ফেলে বাংলাদেশ।  

বন্ধ করুন