বাংলা নিউজ > ময়দান > পিতৃত্বকালীন ছুটি চাইনি, দেশের হয়ে খেলার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলাম, জানালেন গাভাসকর
সুনীল গাভাসকর। ছবি- বিসিসিআই।
সুনীল গাভাসকর। ছবি- বিসিসিআই।

পিতৃত্বকালীন ছুটি চাইনি, দেশের হয়ে খেলার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলাম, জানালেন গাভাসকর

  • বিরাট কোহলির পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে দেশে ফিরতে চাওয়ার কথা জানার পরেই গুঞ্জন ভারতীয় ক্রিকেটমহলে।

আইপিএল চলাকালীন রোহিত শর্মার চোট নিয়ে যেমন ধোঁয়াশা তৈরি হয়, ঠিক তেমনই আলোচনায় উঠে আসে বিরাট কোহলির পিতৃত্বকালীন ছুটির প্রসঙ্গ। বিসিসিআইয়ের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রথম টেস্টের পর অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে কোহলির দেশে ফেরার কথা জানানোর পর থেকেই বিরাটের পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়ে যায় ভারতীয় ক্রিকেটমহলে।

এমনটা নয় যে, আন্তর্জাতিক সিরিজ চলাকালীন পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে কোনও তারকাকে দেশে ফিরতে দেখা এই প্রথম। তবে ভারতীয়দের মধ্যে এমন নজির খুব বেশি নেই। সন্তানসম্ভবা স্ত্রী'র পাশে থাকতে কোহলি দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই আলোচনায় উঠে আসে প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকরের নামও।

কপিল দেবের মতো প্রাক্তন অধিনায়ক স্পষ্ট জানান যে, এমন পরিস্থিতিতে সুনীল গাভাসকরও পড়েছিলেন। তবে তিনি সফর ছেড়ে দেশে ফিরতে পারেননি। ফলে বহুদিন নবজাতকের মুখ দেখতে পাননি সানি। আরও শোনা যায় যে, বিসিসিআই নাকি ১৯৭৫-৭৬'এর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের আগে গাভাসকরের পিতৃত্বকালীন ছুটি মঞ্জুর করেনি।

তাঁর পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে আলোচনা স্বচ্ছ করতে আসরে নামলেন স্বয়ং গাভাসকর। মিড ডে'র কলামে গাভাসকর জানান যে, তিনি বোর্ডের কাছে ছুটির আবেদনই করেননি। দেশের হয়ে খেলার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। এই বিষয়ে তাঁর স্ত্রী সানিকে পূর্ণ সমর্থন করেছিলেন।

গাভাসকর লেখেন, ‘প্রথমত জানিয়ে রাখি, আমি সন্তানের জন্মের সময় স্ত্রী’র পাশে থাকার জন্য ছুটির অনুমতি চাইনি। নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে জোড়া সফরের জন্য যখন আমি জাতীয় দলের সঙ্গে দেশ ছেড়েছিলাম, তখনই জানতাম যে, সফর চলাকালীন আমার স্ত্রী সন্তানের জন্ম দেবে। আমি ভারতের হয়ে খেলার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলাম এবং আমার স্ত্রী আমার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিল।'

সানি আরও জানান, ‘নিউজিল্যান্ডে চোট পাওয়ার পর ডাক্তার আমাকে চার সপ্তাহ বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেয়। পরের টেস্ট ছিল তিন সপ্তাহ পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজে। আমি আমাদের ম্যানেজার কিংবদন্তি পলি উমড়িগড়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে, নিজের খরচে কিছুদিন দেশে কাটিয়ে পুনরায় ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্ট শুরুর আগে দলের সঙ্গে যোগ দিতে পাকি কিনা। এক্ষেত্রে চোট ছাড়া অন্য কোনও কারণে টেস্ট ম্যাচ হাতছাড়া করার কোনও প্রসঙ্গই ছিল না। ডাক্তার আমাকে আরও এক সপ্তাহ বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিলেও আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজে প্রথম টেস্ট খেলছিলাম।’

বন্ধ করুন