১৯৯৬ সালে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন যৌথ ভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করে।
১৯৯৬ সালে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন যৌথ ভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করে।

ক্রিকেট বিশ্বকাপের বকেয়া ৩৮.৮৮ লাখ আয়কর জমা দিতে হবে, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

  • ভারতে আয়োজিত ম্যাচের সমস্ত অর্থ পিলকম নামে এক কনসর্টিয়াম তিন আয়োজক দেশের ক্রিকেট সংগঠনগুলির অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে।

দীর্ঘ ২৪ বছর পরে ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রী লঙ্কার ক্রিকেট সংস্থার আয়ের উপরে ধার্য কর চুকিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ভারতীয় আয়কর দফতরের দ্বারা ৩৮.৮৮ লাখ টাকার বকেয়া কর আদায়ের আবেদন মামলার রায়ে সম্প্রতি ত্রিদেশীয় কনসর্টিয়ামকে এই নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। 

১৯৯৬ সালে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন যৌথ ভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করে। প্রতিযোগিতার পরে ভারতীয় আয়কর দফতর জানতে পারে, ভারতে আয়োজিত ম্যাচের সমস্ত অর্থ পিলকম (পাক-ইন্দো-লঙ্কা জয়েন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটি) নামে এক কনসর্টিয়াম ওই তিন আয়োজক দেশের ক্রিকেট সংগঠনগুলির অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছে। 

বিশ্বকাপ সূত্রে প্রাপ্ত অর্থের আয়ক জমনা না দেওয়ার অভিযোগে পিলকম-কে আয়কর আইনের ২০৩(১) ও ১৯৪(ই) ধারায় শো কজ নোটিশ পাঠানো হয়। প্রাথমিক গণনা অনুযায়ী, বকেয়া করের পরিমাণ ২.১৮ কোটি টাকা। কিন্তু আয়কর দফতরের এই হিসাবকে চ্যালেঞ্জ করে ইনকাম ট্যাক্স অ্যাপেলেট ট্রাইবুনালে মামলা করে পিলকম। আবেদনের ভিত্তিতে ১৯৯৭ সালে বকেয়া আয়করের পুনর্মূল্যায়নের নির্দেশ দেয় ট্রাইবুনাল।

১৯৯৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর আয়কর পুনর্মূল্যায়নের দ্বিতীয় খতিয়ানও পাশ হয়ে গেলে ট্রাইবুনালে আপিল করে হিলকম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মামলায় হার হয় সংস্থার।

এবার মামলা যায় কলকাতা হাইকোর্টে। ২০১০ সালের ১১ নভেম্বরের রায়েআয়কর দফতরের পক্ষে রায় আংশিক বহাল রাখে হাইকোর্ট। 

সেই রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় পিলকম। শেষ পর্যন্ত গত বৃহস্পতিবার সেই মামলার রায় প্রকাশ হয়েছে।

বন্ধ করুন