বাংলা নিউজ > ময়দান > ব্যর্থ দুই ঋত্ত্বিকের চোয়াল চাপা লড়াই, সুপার ওভারে হেরে মুস্তাক আলি থেকে ছিটকে গেল বাংলা
হাফ-সেঞ্চুরি করুণ নায়ারের। ছবি- বিসিসিআই।
হাফ-সেঞ্চুরি করুণ নায়ারের। ছবি- বিসিসিআই।

ব্যর্থ দুই ঋত্ত্বিকের চোয়াল চাপা লড়াই, সুপার ওভারে হেরে মুস্তাক আলি থেকে ছিটকে গেল বাংলা

  • কর্ণাটকের কাছে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হেরে মুস্তাক আলি ট্রফি থেকে বিদায় বাংলার।

গ্রুপের শেষ ম্যাচে দাপটের সঙ্গে কর্নাটককে হারিয়ে চলতি সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির নক-আউটে জায়গা করে নেয় বাংলা। এবার কোয়ার্টার ফাইনালে সুদীপ চট্টোপাধ্যায়দের সামনে সুযোগ ছিল ফের একবার তারকাখচিত কর্নাটককে হারিয়েই সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার। তবে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জয়ের দোরগোড়া থেকে ফিরতে হয় বাংলাকে। সুপার ওভারে হেরে এবারের মতো সৈয়দ মুস্তাক আলি অভিযান শেষ করে তারা। ব্যর্থ হয় কোয়ার্টার ফাইনালে দুই ঋত্ত্বিকের হার না মানা লড়াই।

দিল্লিতে টস জিতে কর্নাটককে শুরুতে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলা। করুণ নায়ারের হাফ-সেঞ্চুরিতে ভর করে কর্নাটক নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১৬০ রান তোলে। রোহন কদম ৩০, মণীশ পান্ডে ২৯, করুণ নায়ার অপরাজিত ৫৫, অভিনব মনোহর ১৯ ও অনিরুদ্ধ যোশি ১৬ রান করেন।

মুকেশ কুমার ৩৪ রানে ১টি, আকাশ দীপ ২৩ রানে ১টি, সায়ন ঘোষ ২৭ রানে ১টি, ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায় ২৩ রানে ১টি ও শাহবাজ আহমেদ ৩৬ রানে ১টি উইকেট নেন। উইকেট পাননি প্রদীপ্ত প্রামানিক।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলা শুরুতেই অভিষেক দাসের (০) উইকেট হারিয়ে বসে। শ্রীবত্স গোস্বামী ঝড়ের গতিতে ইনিংস শুরু করেন বটে, তবে ৩টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১০ বলে ২২ রান করে রান-আউট হন তিনি।

ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায়ের হাফ-সেঞ্চুরিতে (৪০ বলে ৫১) ভর করে শক্ত ভিত গড়ে ফেলে বাংলা। তবে মিডল অর্ডারে ধস নামায় রান তোলার গতি থমকে যায় তাদের। ১৯ ওভারে বাংলা দাঁড়িয়েছিল ৭ উইকেটে ১৪১ রানে। সুতরাং, শেষ ওভারে জয়ের জন্য বাংলার দরকার ছিল ২০ রান।

ঋত্তিক রায়চৌধুরি শেষ ওভারের প্রথম ২ বলে জোড়া ছক্কা হাঁকান। চতুর্থ বলে চার মারেন আকাশ দীপ। ১৯.৫ ওভারে ম্যাচ টাই হয়ে যাওয়ায় শেষ বলে ১ রান নিলেই জিতে যেত বাংলা। তবে শেষ বলে রান-আউট হয়ে বসেন আকাশ দীপ। ফলে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে বাংলাও আটকে যায় কর্নাটকের মতোই ১৬০ রানে। ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরি ১৮ বলে ৩৬ রান করে নট-আউট থাকেন। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

যদিও সুপার ওভারে একতরফা দাপট দেখায় কর্নাটক। কারিয়াপ্পার প্রথম বলে রান নিতে পারেননি কাইফ আহমেদ। দ্বিতীয় বলে আউট হন তিনি। তৃতীয় বলে চার মারেন শ্রীবত্স গোস্বামী। চতুর্থ বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান-আউট হন তিনি। ফলে ০.৪ ওভারে বাংলা আটকে যায় ২ উইকেটে ৫ রানে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে মণীশ পান্ডে মুকেশ কুমারের প্রথম বলে ২ রান নেন। দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে সেমিফাইনালে তোলেন কর্নাটক অধিনায়ক।

বন্ধ করুন