বাংলা নিউজ > ময়দান > ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে 'কৃপণ' বোলিংয়ের নয়া নজির শামসির
তাবরাইজ শামসি।
তাবরাইজ শামসি।

ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে 'কৃপণ' বোলিংয়ের নয়া নজির শামসির

  • টি-২০-তে টানা ৪ ম্যাচে ৪ ওভারের বোলিং কোটা পূর্ণ করেও প্রতি ম্যাচে ২০ রানেরও কম রান দেওয়ার নজির গড়েছেন শামসি।

শুভব্রত মুখার্জি

টি-২০ ক্রিকেটকে সাধারণত বোলারদের বধ্যভূমি হিসেবেই দেখা হয়। স্পিনারদের ক্ষেত্রে বাউন্ডারি ছোট হয়ার কারনে এবং পাটা পিচের কারণে স্বাভাবিক ভাবেই অসুবিধাটা অনেক বেশি। এই অবস্থাতে দাঁড়িয়েও যদি বিশ্বের অন্যতম মারকুটে ব্যাটিং লাইন আপের বিরুদ্ধে কেউ কৃপণতার সাথে বল করে খুব স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর পারফরম্যান্স আলাদা ভাবে কুর্নিশযোগ্য। ওয়ানডে, টেস্ট ক্রিকেটে কৃপণ বোলিং হামেশা দেখা গেলেও টি-২০তে এই ঘটনা বিরল। টি-২০ তে ব্যাটসম্যানদের ঝড়ের সামনে পড়লে যে কোনো বোলারের খরুচে হয়ে ওঠাটা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার । সেখানে দাঁড়িয়ে তাবরাইজ শামসির ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে কিপটে বোলিং তাকে এক নয়া নজির গড়তে সহায়তা করল।

কৃপণ বোলিংয়ের রেকর্ড বইয়ে নাম তুলে ফেলেছেন তাবরাইজ শামসি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টি-২০ সিরিজে কৃপন বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েছেন শামসি। প্রতিপক্ষ দলে যেখানে ক্রিস গেল, কায়রন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল, ডোয়েন ব্রাভোরা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে এই বোলিং নিঃসন্দেহে কৃতিত্বের। টি-২০তে টানা ৪ ম্যাচে ৪ ওভারের বোলিং কোটা পূর্ণ করেও প্রতি ম্যাচে ২০ রানেরও কম রান দেয়ার নজির গড়েছেন শামসি। শামসির আগে এই কীর্তি ছিল মাত্র ৩ জন ক্রিকেটারের।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৪ ওভার বল করে ২৭ রান দিয়েছিলেন শামসি। দ্বিতীয় ম্যাচে এক উইকেট নিয়ে চার ওভারে দেন ১৬ রান। তৃতীয় ম্যাচে উইকেট পেয়েছিলেন দুটি, রান দিয়েছিলেন মাত্র ১৩। চতুর্থ ম্যাচেও ছিল তৃতীয় ম্যাচের একদম এক বোলিং ফিগার। শেষ ম্যাচে ৪ ওভারে ১১ রান দিয়ে নেন একটি উইকেট। আসুন একনজরে দেখে নিন শামসির আগে এই নজির গড়েছিলেন কারা।

১. অজন্তা মেন্ডিস – ২০১১

২. স্যামুয়েল বদ্রি – ২০১৪

৩. অ্যান্ড্রু ওয়েস্টফল – ২০১৯

৪. তাবরাইজ শামসি – ২০২১।

 

বন্ধ করুন