বাংলা নিউজ > ময়দান > কার্তিকের নেতৃত্বেই ১৪ বছর পর মুস্তাক আলির খেতাব পুনরুদ্ধার তামিলনাড়ুর
সিদ্ধার্থ ও কার্তিক। ছবি- টুইটার।
সিদ্ধার্থ ও কার্তিক। ছবি- টুইটার।

কার্তিকের নেতৃত্বেই ১৪ বছর পর মুস্তাক আলির খেতাব পুনরুদ্ধার তামিলনাড়ুর

  • ফাইনালে বরোদাকে ৭ উইকেট পরাজিত করে তামিলনাড়ু।

২০০৬-০৭'এর উদ্বোধনী মরশুমে পঞ্জাবকে হারিয়ে প্রথমবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তামিনলাড়ু। ১৪ বছর পরে খেতাব পুনরুদ্ধার করে তারা। এবার ফাইনালে বরোদাকে ৭ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো জাতীয় টি-২০ চ্যাম্পিয়ন হলেন দীনেশ কার্তিকরা।

এই নিয়ে তিনবার মুস্তাক আলির ফাইনাল খেলে তামিলনাড়ু। গতবারও তারা খেতাবি লড়াইয়ে অংশ নেয়। তবে ফাইনালে মাত্র ১ রানে হার মানতে হয় তাদের। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, তামিলনাড়ু তিনবারই ফাইনাল খেলে দীনেশ কার্তিকের নেতৃত্বে এবং প্রথমবারের মতো এবারও তারা অপরাজিত থেকে টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়। দীনেশ কার্তিক তিনটি আলাদা আলাদা দশকে তামিলনাড়ুকে মুস্তাক আলির ফাইনালে নেতৃত্ব দেন।

মোতেরায় এই ম্যাচে টস জিতে বরোদাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় তামিলনাড়ু। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া বরোদা শেষমেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটের বিনিময়ে ১২০ রান তোলে। বিষ্ণু সোলাঙ্কি দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেন। এছাড়া অতীত শেষ ২৯ ও কেদার দেবধর ১৬ রান করেন।

ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে টুর্নামেন্টে প্রথমবার মাঠে নেমে ২০ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট দখল করেন মনিমরন সিদ্ধার্থ। ১টি করে উইকেট নেন বাবা অপরাজিত, সোনু যাদব ও এম মহম্মদ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে তামিলনাড়ু ১৮ ওভারে ৩ উইকেটের বিনিময়ে ১২৩ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়। হরি নিশান্ত ৩৫, জগদীশান ১৪ ও দীনেশ কার্তিক ২২ রান করে আউট হন। বাবা অপরাজিত ২৯ ও শাহরুখ খান ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন সিদ্ধার্থ।

বন্ধ করুন